32 C
Kolkata
Friday, April 10, 2026
spot_img

ব্যালটের আগে ব্যাটন? গোসাবা-বাঁকুড়ায় ফের সংঘর্ষের ছবি !

Aaj India Desk, কলকাতা : পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচন ২০২৬-এর প্রথম দফা ভোটের আগেই রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় রাজনৈতিক সংঘর্ষ ও উত্তেজনার ছবি সামনে আসছে। কমিশনের তীব্র নজরদারি সত্ত্বেও বাংলায় বহু জায়গায় চলছে হামলা। এর মধ্যেই শুক্রবার সকালে গোসাবা (Gosaba) ও বাঁকুড়াতেও সেই হামলার দৃশ্য ফুটে উঠেছে।

গোসাবায় হামলার অভিযোগ

বিজেপির অভিযোগ অনুযায়ী, গোসাবায় (Gosaba) একটি সাংগঠনিক বৈঠক চলাকালীন তাদের কর্মীদের ওপর হামলা চালানো হয়। তৃণমূল ঘনিষ্ঠ দুষ্কৃতীরা বাড়িতে ঢুকে লাঠি ও লোহার রড দিয়ে তাদের মারধর করে। এই ঘটনায় একাধিক কর্মী আহত হন। কয়েকজনের আঘাত গুরুতর বলে জানা গিয়েছে। স্থানীয় বিজেপি নেতৃত্বের দাবি, দ্রুত অভিযুক্তদের গ্রেফতার না হলে তারা থানাকে ঘিরে বৃহত্তর আন্দোলনে নামবেন।

স্থানীয় সূত্রে খবর, গোসাবার (Gosaba) রঙ্গাবেলিয়া এলাকায় বৃহস্পতিবার রাতে বিজেপি কর্মীদের বৈঠক চলছিল। সেই সময় প্রায় ৫০ জনের একটি দল সেখানে হামলা চালায় বলে অভিযোগ। আহতদের দাবি, হামলাকারীদের হাতে লাঠি-রডের পাশাপাশি ধারালো অস্ত্রও ছিল। বেশ কয়েকজনের শরীরের বিভিন্ন অংশে গভীর আঘাত লেগেছে। ঘটনায় এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়েছে।

বাঁকুড়ায় হুমকি ঘিরে উত্তেজনা

অন্যদিকে বাঁকুড়ার কোটুলপুর বিধানসভা এলাকার জীবতা গ্রামে এক কিশোরকে ঘিরে উত্তেজনা ছড়ায়।সূত্র অনুযায়ী, এক যুবক বিজেপির এক মণ্ডল সভাপতির ছেলেকে একা পেয়ে তার বাবার নাম করে খুনের হুমকি দেয়। বিষয়টি জানাজানি হতেই স্থানীয় বিজেপি কর্মীরা ক্ষোভে ফেটে পড়েন এবং অভিযুক্ত যুবককে আটক করেন।

রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে এই ধরনের ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। বিরোধীদের অভিযোগ, ভোটের আগে ভয়ের পরিবেশ তৈরি করতেই এই ধরনের ঘটনা ঘটছে। যদিও শাসকদল এই অভিযোগ অস্বীকার করেছে। নির্বাচন কমিশনের কড়া নজরদারির মধ্যেও এই পরিস্থিতি কীভাবে নিয়ন্ত্রণে আনা হবে, এখন সেটাই বড় প্রশ্ন।

ভোটের দিন যত এগিয়ে আসছে, ততই রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে এই ধরনের সংঘর্ষ ও উত্তেজনার ঘটনা উদ্বেগ বাড়াচ্ছে। গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় ভোটারদের নিরাপত্তা ও স্বাধীনভাবে ভোটাধিকার প্রয়োগ নিশ্চিত করা এখন প্রশাসন ও নির্বাচন কমিশনের কাছে বড় চ্যালেঞ্জ। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে দ্রুত ও নিরপেক্ষ পদক্ষেপ না হলে ভোটের আগে অশান্তির আশঙ্কা আরও বাড়তে পারে বলেই মনে করছে রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের একাংশ।

আরও পড়ুন:

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

0FansLike
0FollowersFollow
0SubscribersSubscribe
- Advertisement -spot_img

আরও পড়ুন