36 C
Kolkata
Friday, April 3, 2026
spot_img

নিরাপত্তা কেড়ে স্বচ্ছতা নাকি টার্গেটেড পদক্ষেপ? প্রশ্নের মুখে কমিশন

Aaj India Desk,নয়াদিল্লি: অভিযুক্তদেরও কি ‘ভিআইপি’ সুরক্ষা? অপরাধের অভিযোগ থাকলেও নিরাপত্তা পেতেই থাকবেন এই প্রশ্নের মাঝেই কড়া সিদ্ধান্ত নির্বাচন কমিশনের। স্পষ্ট নির্দেশ, ফৌজদারি মামলায় জড়িত বা অপরাধমূলক অতীত থাকা ব্যক্তিদের নিরাপত্তা আর নয়, অবিলম্বে প্রত্যাহার করতে হবে।

ব্যক্তিগত সরকারি নিরাপত্তা ইস্যুতে এবার কঠোর বার্তা নির্বাচন কমিশনের। কমিশন সূত্রে খবর, রাজ্যের স্টেট পুলিশ নোডাল অফিসারের কাছে এই সংক্রান্ত একটি বিস্তারিত ও আপডেটেড স্ট্যাটাস রিপোর্ট চাওয়া হয়েছে, যা নির্দিষ্ট সময়সীমা দুপুর ১২টার মধ্যেই জমা দিতে হবে।অভিযোগ উঠছে, রাজ্যে এমন বহু ব্যক্তি রয়েছেন, যাঁরা ফৌজদারি মামলায় অভিযুক্ত বা অপরাধমূলক অতীত থাকা সত্ত্বেও বর্তমানে জামিন বা প্যারোলে মুক্ত। অথচ তাঁদের মধ্যে কেউ কেউ শুধুমাত্র পদমর্যাদা কিংবা সম্ভাব্য হুমকির যুক্তি দেখিয়ে সরকারি নিরাপত্তা পেয়ে যাচ্ছেন।এই বিতর্কিত প্রেক্ষাপটেই কমিশন কড়া অবস্থান নিয়েছে বলে জানা গিয়েছে, এবং স্পষ্ট ইঙ্গিত নিয়ম ভেঙে দেওয়া এই নিরাপত্তা সুবিধা আর চলবে না।

কবে থেকে কার্যকর নতুন নিয়ম?

নির্বাচন কমিশনের নির্দেশ অনুযায়ী, ২ এপ্রিল রাতের মধ্যেই ফৌজদারি মামলায় জড়িত বা অপরাধমূলক অতীত থাকা এমন সমস্ত ব্যক্তির সরকারি নিরাপত্তা প্রত্যাহার করতে হবে। এই সময়সীমা বেঁধে দিয়ে কমিশন স্পষ্ট করেছে নির্দেশ কার্যকর করতে কোনও ঢিলেমি বরদাস্ত করা হবে না।পাশাপাশি, রাজ্যের প্রতিটি বিধানসভা কেন্দ্র, পুলিশ জেলা ও কমিশনারেট এলাকায় বর্তমানে কারা কারা সরকারি নিরাপত্তা পাচ্ছেন, তাঁদের নাম ও পদবী-সহ একটি পূর্ণাঙ্গ তালিকাও জমা দিতে বলা হয়েছে।অনেকের মতে, নির্বাচন প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা বজায় রাখা এবং আইনশৃঙ্খলা আরও শক্তিশালী করতেই কমিশনের এই কড়া ও সময়বদ্ধ পদক্ষেপ।

তবে এই সিদ্ধান্ত ঘিরে ইতিমধ্যেই উঠতে শুরু করেছে নানা প্রশ্ন। কেউ কেউ বলছেন, স্বচ্ছতা ও আইনশৃঙ্খলার যুক্তি সামনে আনা হলেও, এই পদক্ষেপ কি আদৌ নিরপেক্ষভাবে কার্যকর হবে? নাকি নির্দিষ্ট কিছু ব্যক্তিকে টার্গেট করেই এই কড়াকড়ি? আবার অনেকে আশঙ্কা প্রকাশ করছেন, নিরাপত্তা হঠাৎ তুলে নেওয়ায় বাস্তবেই ঝুঁকির মুখে পড়তে পারেন কিছু ব্যক্তি। ফলে কমিশনের এই সিদ্ধান্ত কতটা বাস্তবসম্মত এবং কতটা নির্বাচনী কৌশলের অংশ তা নিয়েই শুরু হয়েছে জোর বিতর্ক।

 

 

আরও পড়ুন:

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

0FansLike
0FollowersFollow
0SubscribersSubscribe
- Advertisement -spot_img

আরও পড়ুন