কলকাতা: শনিবার প্রকাশিত হয়েছে এসআইআরের আংশিক চূড়ান্ত ভোটার তালিকা (SIR final voter list)। কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, এই তালিকায় বাদ গিয়েছে প্রায় ৫ লক্ষ ৪৬ হাজার ৫৩ জনের নাম। এছাড়াও “অ্যাডজুডিকেশনের” আওতায় রয়েছে প্রায় ৬০ লক্ষ নাম। যার মধ্যে অধিকাংশই বাংলাদেশ সীমান্তবর্তী সংখ্যালঘু অধ্যুষিত তিন জেলা মুর্শিদাবাদ, মালদা ও উত্তর দিনাজপুর।
মুর্শিদাবাদে বিচারাধীন ১১ লক্ষ ১ হাজার ১৪৫ জনের নাম। মালদায় ৮ লক্ষ ২৮ হাজার ১২৭ জন “আন্ডার অ্যাডজুডিকেশন”। উত্তর দিনাজপুরে ৪ লক্ষ ৮০ হাজার ৩৪১ নাম বিচারাধীন রয়েছে বলে জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন।
বাদের খাতায় কত?
নানান জম্পনা, কল্পনা, আতঙ্ক, উত্তেজনার মাঝে শনিবার প্রকাশিত হলও এসআইআরের চূড়ান্ত ভোটার তালিকা (SIR final voter list)। তাতে বিচারাধীন প্রায় ৬০ লক্ষের পাশাপাশি প্রায় ৬৩ লক্ষ নাম বাদ বা “ডিলিটেড” বলে জানা গিয়েছে। কমিশনের ওয়েবসাইট থেকে তালিকায় নাম খোঁজার পদ্ধতি তো প্রায় সকলেরই জানা। কিন্তু নাম বাদ গেলে কি করণীয় তা জেনে নিন।
আপনার নামের পাশে কি “ডিলিটেড”?
জীবিত কোনও ভোটারের নামের পাশে যদি “ডিলিটেড” লেখা থাকে তাহলে আতঙ্কিত হবেন না। তালিকা (SIR final voter list) প্রকাশিত হওয়ার ১৫ দিনের মধ্যে জেলাশাসক তথা ডিস্ট্রিক্ট ইলেকশন অফিসারের কাছে আবেদন করুন। সেখানে যদি DEO আপনার নাম নথিভুক্ত না করেন তাহলে সেই সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ করে পরবর্তী ১৫ দিনের মধ্যে রাজ্যের CEO-র কাছে আবেদন করতে পারবেন আপনি। এছাড়া voters.eci.gov.in-এর মাধ্যমে অথবা বিএলও-দের মাধ্যমেও এই আবেদন জানানো যাবে। আপনার এলাকার সংশ্লিষ্ট বিএলও এবং ডিইও-র নাম ও নম্বর জানতে electoralsearch.eci.gov.in পোর্টালে নিজের এপিক নম্বর দিয়ে সার্চ করুন।
CEO-র কাছে আবেদন খারিজ হলে কি করণীয়?
যদি সিইও আপনার আবেদন খারিজ করে দেন, তাহলে হতাশ হওয়ার কিছু নেই। নিয়ম অনুযায়ী, আপনি ফর্ম ৬ জমা দিয়ে নতুন করে ভোটার তালিকায় নাম তোলার জন্য আবেদন করতে পারবেন। অর্থাৎ, পুনরায় ভোটার হিসেবে নিবন্ধনের সুযোগ রয়েছে। তবে আবেদন করার জন্য আপনার বয়স কমপক্ষে ১৮ বছর হতে হবে। ১৮ বছর পূর্ণ হলেই আপনি নতুন ভোটার হিসেবে আবেদন জানাতে পারবেন।
ভোটার তালিকায় নাম তোলার জন্য প্রয়োজনীয় ফর্ম ৬ সংগ্রহ করা যাবে ECINET অ্যাপ অথবা নির্বাচন কমিশনের অফিসিয়াল পোর্টাল থেকে। অনলাইনে আবেদন করার সুবিধাও রয়েছে, ফলে ঘরে বসেই পুরো প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা সম্ভব। যদিও এই প্রক্রিয়ায় আপনি আসন্ন নির্বাচনে ভোট দিতে পারবেন না।


