নয়াদিল্লি: বলিউডের গ্ল্যামার ছেড়ে এবার আদালতের কাঠগড়ায় আমির খানের ভাইপো তথা বলি তারকা ইমরান খান (Imran Khan)! Cockroach Janta Party-র বিক্ষোভে যোগ দেওয়ার পর থেকেই অভিনেতাকে ঘিরে শুরু হয়েছে একের পর এক বিতর্ক। অগাস্ট ক্রান্তি ময়দানে CJP-র আন্দোলনের সমর্থনে প্রতিবাদে শামিল হয়েছিলেন আমির খানের ভাইপো। সঙ্গে ছিলেন তাঁর সঙ্গী লেখা ওয়াশিংটন। সেখান থেকেই মুম্বই পুলিশের হাতে আটক হন দু’জন। পরে অবশ্য তাঁদের ছেড়ে দেওয়া হয়। কিন্তু ঘটনার রেশ যে এতদূর গড়াবে, তা কি ভাবতে পেরেছিলেন অভিনেতা (Imran Khan)?
১০ অক্টোবরের সেই বিক্ষোভের পরেই ইমরানের (Imran Khan) বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেন বিজেপি নেতা কিরীট সোমাইয়া। এরপর FRRO-র তরফে ১৪ অক্টোবর তাঁকে ভারত ছাড়ার নোটিস দেওয়া হয়। নির্দেশ ছিল, ২৮ অক্টোবরের মধ্যে দেশ ছাড়তে হবে। শুধু তাই নয়, তাঁর OCI কার্ডের মর্যাদা বাতিল করা উচিত কি না, তা নিয়েও শোকজ নোটিস পাঠানো হয়।
কিন্তু ইমরানও হাল ছাড়েননি। সরাসরি বোম্বে হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়ে FRRO-র সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ করেন। তাঁর দাবি, ছোটবেলা থেকে ভারতে রয়েছেন তিনি। আমেরিকায় জন্ম হলেও জীবনের চার দশকেরও বেশি সময় কেটেছে এই দেশেই। তাঁর কাছে রয়েছে মার্কিন পাসপোর্ট ও OCI কার্ড।
এবার ২ নভেম্বরের শুনানিতে পরিস্থিতি আরও নাটকীয় মোড় নেয়। SIR নিয়ে প্রতিবাদে অংশগ্রহণের প্রসঙ্গে আদালত ইমরানকে (Imran Khan) মনে করিয়ে দেয়, OCI কার্ডধারী হিসেবে তিনি ভারতীয় নাগরিকদের সমান অবস্থানে নেই। আদালত তাঁর কাছে নিঃশর্ত ক্ষমা অথবা ভবিষ্যতে এমন ঘটনার পুনরাবৃত্তি না করার অঙ্গীকার চায়।
শেষ পর্যন্ত আদালতেই নিঃশর্ত ক্ষমা ও অঙ্গীকার জমা দেন অভিনেতা (Imran Khan)। স্বস্তির বিষয়, আপাতত ৭ ডিসেম্বর পর্যন্ত স্থগিত রাখা হয়েছে তাঁর বিরুদ্ধে জারি হওয়া ‘লিভ ইন্ডিয়া নোটিস’। তবে আইনি লড়াই এখনও শেষ হয়নি। পর্দার অভিনেতা এবার বাস্তবের আইনি নাটকের কেন্দ্রে! Cockroach Janta Party-র বিক্ষোভ থেকে শুরু হওয়া বিতর্কে আগামী দিনে কী হয়, সেদিকেই নজর।


