Aajindia desk, কলকাতা: পুজোর আগে সরকার (Government) থেকে শহরকে সাজিয়ে তোলার চেষ্টা হয়েছিল। কিন্তু সেই চেষ্টা কতটা বৈজ্ঞানিক, তা নিয়ে বিতর্ক ছিলই। ট্রাফিক নিয়ম অমান্য করে চিংড়িঘাটা ও গড়িয়াহাটে ব্রিজ রামধনু রঙে রাঙিয়ে দেওয়া হয়েছিল। আশঙ্কা ছিল এর ফলে দুর্ঘটনা ঘটবে। গতকাল চিংড়িঘাটা উড়ালপুলে দুটো বাইক পর পর পড়ে যায়। সামান্য বৃষ্টিতেই রাস্তার রং পিচ্ছিল হয়ে যায়। আর তার জন্যই এই দুর্ঘটনা বলে মনে করা হচ্ছে। এমনিতেও এই রঙিন আলো চালকদের চোখ ধাঁধিয়ে দিচ্ছিল। তাতেও দুর্ঘটনার আশঙ্কা ছিলই। এবার সেই রাস্তার রং তুলে দেওয়া হচ্ছে। এমনই দাবি করেছেন তৃণমূল বিধায়ক কুনাল ঘোষ।
কি বললেন কুণাল?
সকালবেলা নিজের এক্স হ্যান্ডেল থেকে সরকারকে (Government) এক হাত নেন কুনাল। তিনি লিখেছেন,” অবৈজ্ঞানিক বিপজ্জনক রং যদি তুলতেই হয়, ছেলেমানুষি করে লাগালেন কেন? দুর্ঘটনার দায় কে নেবে? কাদের টাকার শ্রাদ্ধ হল? চিংড়িহাটার দুর্ঘটনা আর গড়িয়াহাটের রং তোলার ছবিগুলো থেকে যাক।” এর সাথেই তিনি দুটি ভিডিও শেয়ার করেছেন। দাবি করেছেন গড়িয়াহাট ব্রিজ থেকে রং তুলে দেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। ফলে প্রশ্ন উঠছে গতকাল দায় অস্বীকার করলেও সরকার কি তাহলে পিছু হটল? রাতারাতি গড়িয়াহাট ব্রিজের রং তুলে নেওয়া শুরু হচ্ছে?
সত্যিটা কি?
গতকাল সরকারের (Government) তরফ থেকে পুর ও নগর উন্নয়ন মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল জানিয়েছিলেন , ” যে রঙ ব্যবহার করা হয়েছে, সেটা কিন্তু সম্পূর্ণ ‘অ্যান্টি-স্কিড কালার’। তেল রঙ ব্যবহার হয়নি। কিন্তু তারপরও কীভাবে চাকা স্কিড করল, সেটা ইঞ্জিনিয়াররাই বলতে পারবেন।” কিন্তু রং তুলে ফেলা হবে এমন দাবি তিনি করেননি। কিছু সূত্রের খবর গড়িয়াহাটের কিছু জায়গায় রং ইতিমধ্যেই খারাপ অবস্থায় আছে। বৃষ্টির জন্য ফুলে উঠেছে বা লম্বা চলের মতো উঠে যাচ্ছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন এতে স্কিডের ঝুঁকি বাড়তে পারে। পুরসভার গাড়ি সেগুলোকেই উঠিয়ে দিচ্ছিল। রং উঠানোর কোন সিদ্ধান্ত এখনো সরকার নেয়নি। নি।


