নয়াদিল্লি: যন্তরমন্তরে ব্যারিকেড টপকে প্রবেশ, জাতীয় পতাকা উত্তোলন ঘিরে বিতর্ক, আর তারপর পাঁচ দিনের জেল হেফাজত! তিহার জেলে ককরোচ জনতা পার্টির (CJP Protest) দুই শীর্ষ নেতা সৌরভ দাস ও আশুতোষ রাঙ্কা। কিন্তু দুই নেতার গ্রেপ্তারিতেও আন্দোলনের সুর থামছে না, বরং নতুন কর্মসূচির ঘোষণা করে দিলেন দলের প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকে।
অভিজিতের বার্তা স্পষ্ট, তেরঙ্গা হাতে এবার পথে নামুন! তাঁর দাবি, সৌরভ ও আশুতোষের অপরাধ শুধু জাতীয় পতাকা ওড়ানো। এই অভিযোগ তুলে এক্স হ্যান্ডেলে সরাসরি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়েছেন তিনি। দীপকের কথায়, ‘হিম্মত থাকলে মোদীজি, এমার্জেন্সি ঘোষণা করুন।’
আর সেই বার্তার পরেই ১৬ অক্টোবরকে ঘিরে তৈরি হয়েছে নতুন রাজনৈতিক কৌতূহল। অভিজিৎ দীপকের ঘোষণা, ওই দিন বিকেল পাঁচটায় দিল্লির কনট প্লেসে জাতীয় পতাকা হাতে জমায়েত হবেন তাঁরা। সেখান থেকে হবে পদযাত্রা। শুধু দিল্লি নয়, যাঁরা রাজধানীতে পৌঁছতে পারবেন না, তাঁদের নিজেদের শহরেও একইভাবে প্রতিবাদ (CJP Protest) করার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।
দুই নেতা জেল হেফাজতে, আর দলের প্রতিষ্ঠাতা নিজেই জানাচ্ছেন, এই আন্দোলনের জেরে তাঁকেও জেলে যেতে হতে পারে। তবু পিছিয়ে আসার কথা বলছেন না তিনি। অন্যদিকে, পুলিশের অভিযোগ, বিনা অনুমতিতে যন্তরমন্তরে প্রবেশ, ১৪৪ ধারা লঙ্ঘন, শান্তি বজায় রাখার জন্য ৫০ হাজার টাকার বন্ডে সই করার পরেও শর্ত ভাঙা এবং সরকারি কাজে বাধা দেওয়ার অভিযোগ রয়েছে ধৃতদের বিরুদ্ধে। ককরোচ জনতা পার্টির (CJP Protest) পাল্টা দাবি, জমায়েতের বিষয়ে দিল্লি পুলিশ আদালতে মিথ্যা তথ্য দিয়েছে।
এখন নজর ১৬ অক্টোবরের দিকে। কনট প্লেসে কতটা জমায়েত হয়? দিল্লির বাইরে অন্য শহরেও কি ছড়ায় প্রতিবাদের কর্মসূচি? তেরঙ্গা হাতে এই আন্দোলন কোন দিকে মোড় নেয়? সৌরভ-আশুতোষের জেল হেফাজতের আবহে এই প্রশ্নগুলির উত্তর খুঁজছে রাজনৈতিক মহল। একদিকে তিহার জেল, অন্যদিকে রাজপথে নামার ডাক, ১৬ অক্টোবর ককরোচ জনতা পার্টির (CJP Protest) কর্মসূচিই এখন নজরে।


