নয়াদিল্লি: হোটেলের কমপ্লিমেন্টারি চায়ের সরঞ্জাম হোক বা রেলের IRCTC-এর চায়ে সামগ্রী, ঝটপট দুধ চা বানিয়ে ফেলতে দেশের অধিকাংশ জায়গাতেই ব্যবহার করা হয় নেসলের ডেইরি হোয়াইটনার (Nestle Dairy Whitener)। অনেকের বাড়িতেও দৈনন্দিন দুধ চা তৈরি হয় এই গুঁড়ো দুধ দিয়ে। এই হোয়াইটনার নিয়ে এবার সামনে এল গুণমান সংক্রান্ত একটি গুরুত্বপূর্ণ তথ্য।
FSSAI-এর প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, ল্যাবরেটরি পরীক্ষায় এই পণ্যের একটি নমুনাকে ‘নিম্নমানের’ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। নমুনাটি (Nestle Dairy Whitener) সংগ্রহ করা হয়েছিল নয়াদিল্লির কনট প্লেসের একটি হোটেল, ‘মেসার্স ভারত হোটেলস লিমিটেড’ থেকে। তারপর সেই নমুনা পাঠানো হয় পরীক্ষার জন্য। পরীক্ষার ফল সামনে আসার পরই পণ্যটির গুণমান নিয়ে প্রশ্ন ওঠে।
ভাবুন তো, প্রতিদিনের সেই এক কাপ চা। চায়ের সঙ্গে দুটো বিস্কুট। অফিস ডেস্কে রাখা কফির মগ। অথবা বাড়িতে অতিথি এলে দ্রুত বানিয়ে দেওয়া এক কাপ গরম পানীয়। এই ছোট ছোট মুহূর্তের সঙ্গেই জড়িয়ে থাকে খাবারের পণ্যের গুণমানের প্রশ্ন।
তবে একটা বিষয় স্পষ্ট করা জরুরি। FSSAI-এর তথ্যটি একটি নির্দিষ্ট নমুনার পরীক্ষার ফলাফল। তাই এই ফলকে নেসলের সমস্ত ‘লো ফ্যাট ডেইরি হোয়াইটনার’ (Nestle Dairy Whitener)-এর ক্ষেত্রে একইভাবে প্রযোজ্য বলে ধরে নেওয়া যায় না।
তবু প্রতিদিনের খাবার ও পানীয়ের সঙ্গে যুক্ত কোনও পণ্যের গুণমান নিয়ে সরকারি পরীক্ষার এমন তথ্য সামনে এলে স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন ওঠে সাধারণ মানুষের মনে।
যাঁরা নিয়মিত এই ধরনের হোয়াইটনার (Nestle Dairy Whitener) ব্যবহার করেন, তাঁদের নজর এখন FSSAI-এর পরবর্তী পদক্ষেপ এবং সংস্থার বক্তব্যের দিকে। এক কাপ চায়ের স্বাদ বদলাবে কি না, তা সময় বলবে। কিন্তু এই পরীক্ষার ফল নতুন করে মনে করিয়ে দিল, খাবারের ক্ষেত্রে স্বাদ নয়, গুণমান এবং নিরাপত্তার প্রশ্নটাই শেষ কথা।


