Aaj India Desk, কলকাতা: পুরভোটের (Municipal Election) আগে রাজ্য বিজেপির (BJP) সংগঠনে বড়সড় রদবদল। জেলাস্তর থেকে রাজ্য কমিটি—একাধিক পদে পরিবর্তন করা হয়েছে। সাতটি জেলার সভাপতিকে সরিয়ে নতুন দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। বদল করা হয়েছে বিজেপির চারটি মোর্চার সভাপতিকেও। নতুন করে জেলা সভাপতি করা হয়েছে বনগাঁয় নৃপেন বিশ্বাস, বারাসতে দীপঙ্কর চক্রবর্তী, শ্রীরামপুরে শশী সিং, আরামবাগে প্রশান্ত দিগার, মেদিনীপুরে সৌমেন তিওয়ারি, বর্ধমানে আশিস পাল এবং কাটোয়ায় মানিক রায়কে।
এর পাশাপাশি যুব মোর্চা, মহিলা মোর্চা, এসসি মোর্চা এবং ওবিসি মোর্চাতেও নতুন মুখ আনা হয়েছে। যুব মোর্চার সভাপতি হয়েছেন আমতার বিধায়ক অমিত সামন্ত। মহিলা মোর্চার সভানেত্রী করা হয়েছে অঞ্জনা বসুকে। ওবিসি মোর্চার দায়িত্ব পেয়েছেন ধনঞ্জয় ঘোষ এবং এসসি মোর্চার সভাপতি হয়েছেন বিশ্বজিত সামন্ত।
বিজেপি সূত্রে খবর, পুরভোটের আগে সংগঠনকে আরও গুছিয়ে নেওয়ার লক্ষ্যেই এই পরিবর্তন। এর পাশাপাশি ‘এক ব্যক্তি, এক পদ’ নীতিও কার্যকর করা হয়েছে। সেই নিয়মে সাংগঠনিক পদ থেকে সরেছেন রাজ্যের একাধিক মন্ত্রী। তাঁদের মধ্যে রয়েছেন অগ্নিমিত্রা পাল, জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায়, তাপস রায়, দীপক বর্মন, নিশীথ প্রামাণিক এবং ইন্দ্রনীল খাঁ। তাঁরা মন্ত্রী হওয়ার পাশাপাশি দলের সাংগঠনিক দায়িত্বেও ছিলেন।
রাজ্য কমিটিতেও হয়েছে একাধিক পরিবর্তন। সাধারণ সম্পাদক পদ থেকে সরানো হয়েছে শর্বরী মুখোপাধ্যায়কে। সম্পাদক পদ থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে শঙ্কর ঘোষকে। বিধানসভার সরকারি মুখ্য সচেতক অম্লান ভাদুড়িকেও সম্পাদক পদ থেকে সরানো হয়েছে। শর্বরীর ক্ষেত্রে ‘এক ব্যক্তি, এক পদ’ নীতি প্রযোজ্য না হওয়ায় তাঁর অপসারণকে ঘিরে আলাদা করে আলোচনা তৈরি হয়েছে।
উল্লেখযোগ্যভাবে, এই রদবদলের ঠিক আগের দিন দিল্লিতে বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি নীতিন নবীনের সঙ্গে বৈঠক করেছিলেন শুভেন্দু অধিকারী, শমীক ভট্টাচার্যরা। তার পরের দিনই বঙ্গ বিজেপির সংগঠনে এই বড় পরিবর্তন সামনে এল।


