Aaj India Desk, কলকাতা : জোড়াফুল প্রতীক নিয়ে এখনও কাটেনি জট। নির্বাচন কমিশনের চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় দুই শিবির। তার মধ্যেই উপনির্বাচনের ময়দানে বড় পদক্ষেপ। নন্দীগ্রাম (Nandigram By Election) ও রেজিনগরের জন্য নিজেদের প্রার্থীর নাম ঘোষণা করে দিল ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় নেতৃত্বে থাকা বিদ্রোহী তৃনমূল শিবির (Ritabrata camp)।
ঋতব্রত শিবিরের প্রার্থী কারা?
পূর্ব মেদিনীপুর জেলার হাইপ্রোফাইল নন্দীগ্রাম (Nandigram By Election) বিধানসভা কেন্দ্র থেকে তৃণমূলের বিদ্রোহী গোষ্ঠী তথা ঋতব্রত শিবিরের প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন মহম্মদ এতেশামুল হক। অন্যদিকে মুর্শিদাবাদ জেলার রেজিনগরে সফিউদ্দিন শেখকে প্রার্থী করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে ঋতব্রত শিবির।
এর আগে নন্দীগ্রাম ও রেজিনগরের জন্য প্রার্থী ঘোষণা করেছে কালীঘাট তৃণমূল শিবিরও। নন্দীগ্রামে সঞ্চিতা প্রধান (দে)-কে এবং রেজিনগরে রবিউল আলম চৌধুরীকে প্রার্থী করা হয়েছে। অর্থাৎ, একই প্রতীক নিয়ে দাবির জট না কাটলেও দুই শিবিরই ইতিমধ্যে পৃথক প্রার্থী নিয়ে উপনির্বাচনের ময়দানে নেমে পড়েছে।
প্রতীক নিয়ে এখনও জট
জোড়াফুল প্রতীক নিয়ে কালীঘাট এবং ঋতব্রত শিবিরের মধ্যে বিরোধ চলছে। এই বিষয়ে ইতিমধ্যেই দুই পক্ষের সঙ্গে বৈঠক করেছে নির্বাচন কমিশন। তবে শেষ পর্যন্ত জোড়াফুল প্রতীক কারা ব্যবহার করতে পারবে, সেই সিদ্ধান্ত এখনও জানানো হয়নি। এই পরিস্থিতির মধ্যেই উপনির্বাচনের প্রার্থী ঘোষণা করে দিল দুই পক্ষ। ফলে প্রতীক নিয়ে কমিশনের সিদ্ধান্তের আগেই ভোটের প্রস্তুতিতে নিজেদের অবস্থান স্পষ্ট করল ঋতব্রত শিবির।
নন্দীগ্রাম (Nandigram By Election) এবং রেজিনগর (Rejinagar) দুই কেন্দ্রেই আগামী ৬ অক্টোবর উপনির্বাচন হওয়ার কথা। নির্বাচন কমিশনের নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী, ১৬ সেপ্টেম্বরের মধ্যে মনোনয়ন জমা দিতে হবে। মনোনয়ন প্রত্যাহারের শেষ দিন ১৯ সেপ্টেম্বর। ফলে হাতে সময় খুব কম। প্রতীক নিয়ে সিদ্ধান্তের পাশাপাশি মনোনয়ন পর্বও এগিয়ে চলেছে। কমিশনের ফয়সালার পর দুই শিবিরের প্রার্থীদের ভোটের লড়াই কোন প্রতীকে হবে, এখন সেটাই মূল প্রশ্ন।


