Aaj India Desk, নয়া দিল্লি : ৭.৮ শতাংশ জিডিপি বৃদ্ধির পর এবার পাইকারি মুদ্রাস্ফীতির পরিসংখ্যানেও নজরে পড়ল মূল্যবৃদ্ধির চাপ। বাণিজ্য ও শিল্প মন্ত্রকের প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, ২০২৬ সালের অগস্টে পাইকারি মূল্যসূচক বা WPI-ভিত্তিক মুদ্রাস্ফীতির হার বেড়ে হয়েছে ৯.৯২ শতাংশ। জুলাইয়ে এই হার ছিল ৯.৭৮ শতাংশ। অর্থাৎ এক মাসের ব্যবধানে পাইকারি মূল্যবৃদ্ধির হার আরও বেড়েছে। (WPI Inflation)
কোন খাতে কতটা চাপ?
মন্ত্রকের তথ্য বলছে, অগস্টে জ্বালানি ও শক্তি খাতে মুদ্রাস্ফীতি উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। জুলাইয়ের ২০.০৫ শতাংশ থেকে তা বেড়ে অগস্টে হয়েছে ২২.৯৩ শতাংশ। খনিজ তেল এবং পেট্রোলিয়ামজাত পণ্যের দামের পরিবর্তন এই বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। (WPI Inflation)
অন্যদিকে, প্রাথমিক পণ্যের মুদ্রাস্ফীতি জুলাইয়ের ৮.৫২ শতাংশ থেকে কমে অগস্টে হয়েছে ৭.৭৬ শতাংশ। উৎপাদিত পণ্যের ক্ষেত্রে অবশ্য সামান্য বৃদ্ধি দেখা গিয়েছে। জুলাইয়ের ৮.২৯ শতাংশ থেকে তা বেড়ে হয়েছে ৮.৩৭ শতাংশ।
খাদ্যপণ্যের দামেও চাপ
খাদ্যপণ্যের ক্ষেত্রেও মূল্যবৃদ্ধির প্রবণতা বেড়েছে। WPI খাদ্য সূচকভিত্তিক মুদ্রাস্ফীতি জুলাইয়ের ৬.৬৫ শতাংশ থেকে বেড়ে অগস্টে হয়েছে ৭.০৫ শতাংশ। অর্থাৎ পাইকারি বাজারে খাদ্যপণ্যের দামের ওপরও চাপ তৈরি হয়েছে। (WPI Inflation)
সরকার জুন ২০২৬-এর WPI-এর চূড়ান্ত পরিসংখ্যানও সংশোধন করেছে। জুনের সূচক ১১০.২ থেকে সংশোধন করে ১১০.৩ করা হয়েছে। ফলে ওই মাসের চূড়ান্ত পাইকারি মুদ্রাস্ফীতির হার ৯.৮৭ শতাংশ থেকে সংশোধিত হয়ে হয়েছে ৯.৯৭ শতাংশ।
অগস্টে উৎপাদন খাতের উপকরণ উৎপাদক মূল্যসূচক বা ইনপুট PPI দাঁড়িয়েছে ১০৪.২-এ। জুনের অস্থায়ী ইনপুট PPI-ও ১০৭.১ থেকে সংশোধন করে ১০৫.৯ করা হয়েছে।
ফলে জিডিপি বৃদ্ধির ইতিবাচক ছবির পাশাপাশি WPI-এর ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা অর্থনীতিতে মূল্যচাপের বিষয়টিকেও সামনে আনছে। বিশেষ করে জ্বালানি ও খাদ্যপণ্যের দামের গতিবিধি আগামী দিনে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে।


