Aaj India Desk, দক্ষিণ ২৪ পরগনা : একের পর এক রেস্তরাঁর রান্নাঘরে ঢুকতেই সামনে আসছে নানা অনিয়মের অভিযোগ। কোথাও ফ্রিজে পচা মাংস, কোথাও ছত্রাক ধরা সবজি, আবার কোথাও নষ্ট ছানা ব্যবহার করা হচ্ছে। একাধিক এলাকায় নামী দামী রেস্তোরাঁ সম্পর্কে এই ধরনের অভিযোগ সামনে আসার পর এবার সোনারপুরের নামী রেস্তরাঁ ‘বাবুর্চি’তেও চললো স্বাস্থ্য দপ্তরের অভিযান। অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে রান্না এবং বাসি ও নষ্ট খাদ্যপণ্য ব্যবহারের অভিযোগে এই রেস্তোরাঁর বিভিন্ন শাখাগুলি বন্ধ করে দেওয়া হয়। রাজ্যজুড়ে গত তিন দিনে ২৩৩৭টি জায়গায় স্বাস্থ্যদপ্তরের অভিযানের পর খাবারের নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে। (West Bengal Food Safety)
শুক্রবার সোনারপুর এলাকায় ‘বাবুর্চি’র একাধিক শাখায় অভিযান চালানো হয়। সেখানে খাবার তৈরির পরিবেশ, খাদ্যপণ্য সংরক্ষণ এবং ব্যবহৃত উপকরণের মান খতিয়ে দেখা হয়। অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ এবং বাসি খাদ্যপণ্য ব্যবহারের অভিযোগ সামনে আসার পর সংশ্লিষ্ট শাখাগুলি বন্ধ করে দেওয়া হয়। অন্যদিকে এইদিন পার্ক স্ট্রিটেরও একাধিক রেস্তরাঁয় অভিযান চালান স্বাস্থ্যদপ্তরের আধিকারিকরা। করিমস, ডন জিওভানি এবং তুংফংয়ের মতো রেস্তরাঁয় খাবার ও রান্নাঘরের পরিস্থিতি খতিয়ে দেখা হয়। অভিযানে পচা মাংস, মেয়াদোত্তীর্ণ তেল এবং ছত্রাক ধরা খাদ্যপণ্য ব্যবহারের অভিযোগ সামনে আসে। তবে একই অভিযানে মোক্যাম্বো এবং আর্সেলান মান পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। (West Bengal Food Safety)
উল্লেখ্য, কামালগাজি থেকে সোনারপুর, বহরমপুর থেকে আলিপুরদুয়ার, রাজ্যের বিভিন্ন এলাকায় হোটেল, রেস্তরাঁ এবং খাবারের দোকানে এই অভিযান চালানো হয়েছে। (West Bengal Food Safety) মান পরীক্ষায় ব্যর্থ হওয়া এবং স্বাস্থ্যবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগে একাধিক প্রতিষ্ঠান ইতিমধ্যেই বন্ধ বা সিল করে দেওয়া হয়েছে। খাবারের গুণমান ও খাদ্য নিরাপত্তা নিয়ে অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে এই ধরনের নজরদারি আরও জোরদার করা হচ্ছে। তবে প্রশ্ন উঠছে, এই ধরনের অভিযানের পরেও কি আদৌ জনসাধারণের খাবারের প্লেট সুরক্ষিত থাকবে ? নাকি ভেজালের জালে জড়িয়ে আগামী দিনের পুজোটাই মাটি হবে ?


