Aaj India Desk, শিলিগুড়ি : শিলিগুড়ির অলিগলিতে এবার অন্নপূর্ণার টাকার খোঁজে মন্ত্রী! বাড়ি বাড়ি গিয়ে মহিলাদের প্রশ্ন, “অন্নপূর্ণার টাকা পেয়েছেন তো?” উত্তর ‘হ্যাঁ’ হলে দরজায় সেঁটে দেওয়া হচ্ছে ‘অন্নপূর্ণা যোজনা গর্বিত প্রাপক’ স্টিকার। আর টাকা এখনও না ঢুকলে মিলছে বিধায়ক কার্যালয়ে যোগাযোগের পরামর্শ। অন্নপূর্ণার টাকা নিয়ে অসন্তোষের আবহে শঙ্কর ঘোষের (Shankar Ghosh) এই ‘দুয়ারে’ উদ্যোগ ঘিরে শিলিগুড়িতে তৈরি হয়েছে বিশেষ আগ্রহ।
বুধবার সকালে শিলিগুড়ির বিভিন্ন এলাকায় বাড়ি বাড়ি গিয়ে অন্নপূর্ণা যোজনার উপভোক্তাদের সঙ্গে কথা বলেন শঙ্কর ঘোষ (Shankar Ghosh)। মহিলাদের কাছে সরাসরি জানতে চান, তাঁদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে প্রকল্পের টাকা ঢুকেছে কি না। যাঁরা টাকা পেয়েছেন, তাঁদের বাড়ির দরজায় ‘অন্নপূর্ণা যোজনা গর্বিত প্রাপক’ লেখা স্টিকার সাঁটানো হয়। অন্যদিকে, যাঁরা এখনও প্রকল্পের টাকা পাননি, তাঁদের উদ্বিগ্ন না হওয়ার আশ্বাস দেন বিধায়ক। প্রয়োজনে সরাসরি বিধায়ক কার্যালয়ে যোগাযোগ করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। শঙ্কর ঘোষের দাবি, কোনও যোগ্য আবেদনকারী যাতে প্রশাসনিক জটিলতার কারণে প্রকল্পের সুবিধা থেকে বঞ্চিত না হন, তা নিশ্চিত করতেই এই বাড়ি বাড়ি যোগাযোগ কর্মসূচি।
বিধায়কের (Shankar Ghosh) দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, শিলিগুড়ি শহরে বর্তমানে প্রায় ৩২ হাজার মহিলা নিয়মিত অন্নপূর্ণা যোজনার ভাতা পাচ্ছেন। তবে প্রায় সাড়ে তিন হাজার আবেদন এখনও বিভিন্ন কারণে আটকে রয়েছে বলে দাবি তাঁর। আবেদনগুলি কেন আটকে রয়েছে, তা খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপের জন্য বিধায়ক সেবা কেন্দ্র থেকে সংগৃহীত নথি নারী ও শিশু কল্যাণ দফতরে পাঠানো হচ্ছে বলেও জানিয়েছেন তিনি।
অন্নপূর্ণা যোজনার টাকা নিয়ে উপভোক্তাদের মধ্যে প্রশ্ন ও অসন্তোষের আবহেই শিলিগুড়িতে এই উদ্যোগকে গুরুত্ব দিয়ে দেখা হচ্ছে। বাড়ি বাড়ি গিয়ে সরাসরি উপভোক্তাদের সঙ্গে কথা বলায় সমস্যাগুলি চিহ্নিত করে দ্রুত প্রশাসনের নজরে আনার সুযোগ তৈরি হচ্ছে বলে দাবি করেছেন শঙ্কর। এবার বাকি বঞ্চিত মহিলারা এই প্রকল্পের সুবিধা পান কিনা সেটাই দেখার।


