Aaj India Desk, নয়া দিল্লি : NEET আন্দোলনের পর দেশ জুড়ে আরশোলাদের নাম নিয়ে চলছে আলোচনা। সিজেপির (Cockroach Janata Party) নেতৃত্বে দেশ জুড়ে তৈরি হওয়া জেন জি বিক্ষোভের জেরে ইস্তফা পর্যন্ত দিতে হয় কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানকে। ফলে এর সাংগঠনিক ক্ষমতার কথা মাথায় রেখেই আন্দোলন শেষ হতে উঠেছিল প্রশ্ন। আন্দোলনের মঞ্চ ছেড়ে এবার ভোটের রাজনীতিতে পা রাখবেন অভিজিৎ দীপকে? এই জল্পনার মধ্যেই মহারাষ্ট্রে শুরু হয়েছে CJP-র গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক। আর সেখান থেকেই মিলেছে তাদের আগামী দিনের রণকৌশলের ইঙ্গিত।
কী সিদ্ধান্ত বৈঠকে?
দিল্লির NEET প্রশ্নফাঁস আন্দোলনের পর সিজেপির (Cockroach Janata Party) এটি প্রথম বড় সাংগঠনিক বৈঠক। বৈঠকে আগামী দিনের কর্মসূচি, সংগঠনের বিস্তার এবং বিভিন্ন রাজ্যে ছাত্রদের দাবিদাওয়া নিয়ে আন্দোলনের রূপরেখা নিয়ে আলোচনা চলছে। দীপকের বক্তব্য, সংগঠন আপাতত একটি ‘প্রেশার গ্রুপ’ হিসেবেই কাজ করবে। নির্বাচনী রাজনীতিতে প্রবেশের পরিবর্তে বিভিন্ন জনস্বার্থের ইস্যুতে সরকারের উপর গণচাপ তৈরি করাই তাদের উদ্দেশ্য।
রাজনীতি নিয়ে কী বললেন দীপকে?
নির্বাচনী রাজনীতিতে প্রবেশের জল্পনা উড়িয়ে দিয়ে দীপকে বলেন, “এই মুহূর্তে আমরা নিজেদের রাজনৈতিক দল হিসেবে দেখতে চাই না। আপাতত আমরা একটি প্রেশার গ্রুপ হিসেবেই কাজ চালিয়ে যেতে চাই।” তবে তিনি এটাও জানান, ভবিষ্যতে যদি দেশের অধিকাংশ মানুষ সেই দাবি তোলেন, তাহলে নির্বাচনে অংশ নেওয়ার বিষয়টি বিবেচনা করা হতে পারে।
দীপকের দাবি, দেশের বহু তরুণ রাজনীতি, বিচারব্যবস্থা এবং সংবাদমাধ্যমের উপর আস্থা হারাচ্ছেন। একই সঙ্গে তিনি অভিযোগ করেন, ED, CID এর কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থাগুলির অপব্যবহারের মাধ্যমে রাজনৈতিক দল ভাঙা হচ্ছে এবং নির্বাচনী প্রক্রিয়া নিয়েও প্রশ্ন উঠছে। তাঁর মতে, বর্তমানে ভারতের নতুন রাজনৈতিক দলের প্রয়োজন নেই, বরং এমন একটি জনআন্দোলন দরকার, যা বিভিন্ন গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানের জবাবদিহি ও মানুষের আস্থা ফিরিয়ে আনতে ভূমিকা নেবে।


