নয়াদিল্লি: ৩৭ দিনের দেশকাঁপানো আন্দোলনের পর যুবসমাজের একাংশের ‘ভরসা’ হয়ে উঠেছে ককরোচ জনতা পার্টি (CJP)। তাঁদের দাবিদাওয়া-ক্ষোভ সরকার অবধি পৌঁছে দেওয়ার শক্তিশালী কণ্ঠ পেয়েছে বলে বলে করছে জেন জি। অন্যদিকে, যন্তর মন্তরের আন্দোলন প্রত্যাহার হলেও লড়াই এখনও বাকি আছে বলে সাফ জানিয়েছিল আরশোলা বাহিনী। অবে এখনও পর্যন্ত তাঁদের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে আনুষ্ঠানিক কোনও বিবৃতি সামনে আসেনি।
এবার ভবিষ্যৎ কর্মসূচি নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে বসতে চলেছে ককরোচ জনতা পার্টি (CJP)। দলীয় সূত্রের খবর, আগামী ৫ অগাস্ট মহারাষ্ট্রের ছত্রপতি সম্ভাজিনগরে দলের কোর কমিটির সদস্যরা বৈঠকে মিলিত হবেন। এই বৈঠকেই আগামী দিনের সাংগঠনিক ও আন্দোলনের রূপরেখা নিয়ে আলোচনা হতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।
সূত্রের খবর, বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হবে দলের প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দিপকের (Abhijit Dipke) বাসভবনে। সাম্প্রতিক রাজনৈতিক পরিস্থিতি, সংগঠনের সম্প্রসারণ এবং ভবিষ্যতের আন্দোলনের কৌশল, এই সব বিষয়ই আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে থাকতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। যদিও বৈঠকের আনুষ্ঠানিক এজেন্ডা এখনও প্রকাশ্যে আনা হয়নি।
উল্লেখ্য, গত মাসে দিল্লির যন্তর মন্তরে অনুষ্ঠিত NEET প্রশ্নপত্র ফাঁসের অভিযোগকে কেন্দ্র করে মাসব্যাপী আন্দোলনে সক্রিয় ভূমিকা নিয়েছিল CJP। সেই আন্দোলনে দলের কর্মী, সমর্থক ও স্বেচ্ছাসেবকেরা দীর্ঘ সময় ধরে অংশ নেন। আন্দোলন শেষ হওয়ার পর সংগঠনের তরফে কর্মী-সমর্থকদের কিছুদিন পরিবারের সঙ্গে সময় কাটানোর পরামর্শ দেওয়া হয়েছিল বলেও দলীয় সূত্রে জানা গিয়েছে।
রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, আন্দোলনের পর এই প্রথম কোর কমিটির বৈঠক হওয়ায় এর গুরুত্ব যথেষ্ট। আন্দোলনের পরবর্তী ধাপ কী হবে, নতুন কোনও কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে কি না, কিংবা সংগঠনকে আরও বিস্তৃত করার জন্য বিশেষ পরিকল্পনা নেওয়া হবে কি না, সেদিকেই এখন নজর রাজনৈতিক মহলের। যদিও CJP এখনও বৈঠক-পরবর্তী সম্ভাব্য সিদ্ধান্ত সম্পর্কে আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানায়নি, তবুও ৫ অগাস্টের এই বৈঠককে দলের ভবিষ্যৎ কৌশল নির্ধারণের ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হিসেবেই দেখা হচ্ছে।


