Aaj lndia Desk, কলকাতা: দেশজুড়ে শুরু হয়েছে জনগণনার প্রথম ধাপ, অর্থাৎ হাউসলিস্টিং বা গৃহ গণনা। এবার সম্পূর্ণ ডিজিটাল পদ্ধতিতে এই প্রক্রিয়া পরিচালিত হচ্ছে। এই পর্যায়ে সরকার প্রতিটি বাড়ি, পরিবারের সদস্য সংখ্যা, বসবাসের পরিবেশ, নাগরিক সুযোগ-সুবিধা এবং সম্পত্তি সংক্রান্ত মোট ৩৩টি সাধারণ তথ্য সংগ্রহ করবে। ভবিষ্যতের উন্নয়ন পরিকল্পনা, সরকারি প্রকল্প এবং পরিকাঠামো গঠনের ক্ষেত্রে এই তথ্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।
কি কি জানতে চাইবে সরকার ?
১. ভবনের মিউনিসিপ্যাল বা সেন্সাস নম্বর কী?
২. ঘরের নম্বর কত?
৩. বাড়ির বাইরের দেওয়াল কী উপাদান দিয়ে তৈরি?
৪. মেঝে কী উপাদান দিয়ে তৈরি?
৫. ছাদ কী উপাদান দিয়ে তৈরি?
৬. বাড়িটি মূলত কী কাজে ব্যবহার করা হয়?
৭. বাড়ির বর্তমান অবস্থা কেমন?
৮. পরিবারের প্রধানের নাম কী?
৯. পরিবারের প্রধানের লিঙ্গ কী?
১০. পরিবারের প্রধান এসসি, এসটি নাকি অন্য কোনও সম্প্রদায়ের অন্তর্ভুক্ত?
১১. বাড়িতে সাধারণত কতজন সদস্য বসবাস করেন?
১২. পরিবারে কতটি বিবাহিত দম্পতি রয়েছেন?
১৩. বাড়িটি নিজস্ব নাকি ভাড়ার?
১৪. পানীয় জলের প্রধান উৎস কী?
১৫. আলো জ্বালানোর প্রধান মাধ্যম কী?
১৬. বাড়িতে কী ধরনের শৌচাগার রয়েছে?
১৭. বর্জ্য জলের নিষ্কাশন ব্যবস্থা কী?
১৮. বাড়িতে স্নানের আলাদা ব্যবস্থা রয়েছে কি?
১৯. বাড়িতে আলাদা রান্নাঘর রয়েছে কি?
২০. এলপিজি বা পিএনজি সংযোগ রয়েছে কি?
২১. রান্নার প্রধান জ্বালানি কী?
২২. বাড়িতে রেডিও রয়েছে কি?
২৩. বাড়িতে টেলিভিশন রয়েছে কি?
২৪. ইন্টারনেট সংযোগ রয়েছে কি?
২৫. ল্যাপটপ বা কম্পিউটার রয়েছে কি?
২৬. টেলিফোন বা স্মার্টফোন রয়েছে কি?
২৭. সাইকেল রয়েছে কি?
২৮. স্কুটার রয়েছে কি?
২৯. মোটরসাইকেল রয়েছে কি?
৩০. কার বা জিপ রয়েছে কি?
৩১. পরিবারে প্রধানত কোন শস্য বা খাদ্য খাওয়া হয়?
৩২. যোগাযোগের জন্য মোবাইল নম্বর কী?
৩৩. পরিবারের যোগাযোগের জন্য বিকল্প মোবাইল নম্বর (যদি থাকে) কী?
প্রশাসনের মতে, জনগণনায় দেওয়া এই তথ্য সম্পূর্ণ গোপনীয়ভাবে সংরক্ষণ করা হবে এবং শুধুমাত্র পরিসংখ্যান ও নীতিনির্ধারণের কাজে ব্যবহার করা হবে। তাই নাগরিকদের সঠিক ও নির্ভুল তথ্য দিয়ে জনগণনা প্রক্রিয়ায় সহযোগিতা করার আহ্বান জানানো হয়েছে।


