Aaj India Desk, কলকাতা : শনিবার থেকে দেশজুড়ে, পশ্চিমবঙ্গ-সহ, শুরু হচ্ছে জনগণনার প্রথম ধাপ ‘সেলফ-এনিউমারেশন’ (Self Enumeration)। নাগরিকরা অনলাইনে নিজেই বাড়ি ও পরিবারের তথ্য জমা দিতে পারবেন। এই পর্ব চলবে ১৫ আগস্ট পর্যন্ত। যাঁরা অনলাইনে তথ্য জমা দিতে পারবেন না, তাঁদের জন্য ১৬ আগস্ট থেকে ১৪ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত বাড়ি বাড়ি গিয়ে তথ্য সংগ্রহ করবেন সরকারি গণনাকারীরা।
আজ থেকেই শুরু অনলাইন গণনা
শুক্রবার রাত ১২টা থেকে সক্রিয় হবে জনগণনার অনলাইন পোর্টাল। নাগরিকরা https://se.census.gov.in -এ লগ ইন করে প্রায় ১০ মিনিটের মধ্যে আটটি ধাপ সম্পূর্ণ করে আবেদন জমা দিতে পারবেন। বাড়ি ও পরিবারের তথ্য মিলিয়ে মোট ৩৪টি প্রশ্নের উত্তর দিতে হবে। আবেদন সম্পূর্ণ হলে আবেদনকারীর মোবাইল নম্বর বা ই-মেলে একটি ১১ সংখ্যার SEID পাঠানো হবে। এই নম্বর সংরক্ষণ করে রাখতে হবে, কারণ পরে বাড়িতে গণনাকারী এলে সেটিই দেখাতে হবে।
কলকাতায় বড় লক্ষ্য প্রশাসনের
শুক্রবার কলকাতা পুরসভার কমিশনার স্মিতা পাণ্ডে জানান, শহরের সরকারি ও সরকারি সাহায্যপ্রাপ্ত স্কুলের অষ্টম থেকে দ্বাদশ শ্রেণির প্রায় ৭০০ জন এবং বেসরকারি খ্যাতনামা স্কুলের প্রায় ৩০০ জন পড়ুয়াকে এই কর্মসূচিতে যুক্ত করা হয়েছে।
প্রতিটি শ্রেণিতে একজন করে ‘সেনসাস প্রিফেক্ট’ নিয়োগ করা হচ্ছে। তাঁদের মাধ্যমে নিজেদের পরিবারের পাশাপাশি আরও অন্তত ১০টি পরিবারকে অনলাইনে ‘সেলফ-এনিউমারেশন’-এ (Self Enumeration) অংশ নিতে উৎসাহিত করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।
কতজন কর্মী মাঠে থাকবেন?
পুর কমিশনারের কথায়, কলকাতার আনুমানিক ৫৫ লক্ষ জনসংখ্যার মধ্যে অন্তত ২৫ থেকে ৩০ লক্ষ মানুষকে অনলাইনে ‘সেলফ-এনিউমারেশন’-এ (Self Enumeration) যুক্ত করার লক্ষ্য রাখা হয়েছে। এই কাজের জন্য শহরে ৮,২০০ জন গণনাকারী (Enumerator) এবং ১,৪০০ জন সুপারভাইজার নিয়োগ করা হয়েছে।
যাঁরা অনলাইনে পারবেন না, তাঁদের জন্য কী ব্যবস্থা?
অনলাইনে তথ্য জমা দিতে না পারলেও কোনও সমস্যা নেই। ১৬ আগস্ট থেকে ১৪ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত সরকারি কর্মীরা বাড়ি বাড়ি গিয়ে ফিল্ড-এনিউমারেশন করবেন। সেই সময় নাগরিকদের কাছ থেকে সরাসরি তথ্য সংগ্রহ করা হবে।
এটি স্বাধীনতার পর দেশের অষ্টম জনগণনা। বর্তমান পর্যায়ে বাড়ি ও পরিবারের তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে। এরপর আগামী ২৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৭-এ শুরু হবে জনগণনার দ্বিতীয় ধাপ, যেখানে জনসংখ্যার বিস্তারিত ও ব্যক্তিভিত্তিক তথ্য সংগ্রহ করা হবে।


