Aaj India Desk, কলকাতা : নন্দীগ্রাম (Nandigram) ও রেজিনগর বিধানসভা কেন্দ্রের সম্ভাব্য উপনির্বাচনকে সামনে রেখে সাংগঠনিক প্রস্তুতি শুরু করে দিল বিজেপি। শনিবার দুই কেন্দ্রেই পৃথক প্রস্তুতি বৈঠক হবে। তবে নন্দীগ্রামের মতো শক্ত জমিতে কাকে দায়িত্ব দেবেন শুভেন্দু তা নিয়ে জোর চর্চা শুরু হয়। এর মধ্যেই তিনি জানিয়েছেন, রাজ্য বিজেপির সাধারণ সম্পাদক ও সাংসদকেই এই দায়িত্ব দেওয়া হবে। অন্যদিকে রেজিনগরের দায়িত্বে রয়েছেন রাজ্য বিজেপির সহ-সভাপতি।
কেন শূন্য হয়েছে দুই আসন?
২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে শুভেন্দু অধিকারী নন্দীগ্রাম (Nandigram) ও ভবানীপুর দুই কেন্দ্র থেকেই জয়ী হন। পরে ভবানীপুর কেন্দ্র ধরে রেখে মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেওয়ায় নন্দীগ্রাম আসনটি শূন্য হয়। অন্যদিকে, আম জনতা উন্নয়ন পার্টির প্রধান হুমায়ুন কবীর নওদা ও রেজিনগর দুই কেন্দ্রেই জয়ী হওয়ার পর নওদা আসন রেখে রেজিনগর থেকে ইস্তফা দেন। ফলে রেজিনগরেও উপনির্বাচনের পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে।
দুই কেন্দ্রে পৃথক বৈঠক
শনিবার নন্দীগ্রামে (Nandigram) দলীয় বৈঠক করবেন নন্দীগ্রামের দায়িত্ব পাওয়া রাজ্য বিজেপির সাধারণ সম্পাদক জ্যোতির্ময় সিং মাহাতো। একই দিনে বহরমপুরে রেজিনগর কেন্দ্রের প্রস্তুতি বৈঠকে নেতৃত্ব দেবেন রাজ্য বিজেপির সহ-সভাপতি প্রবাল রাহা। দুই বৈঠকেই সংশ্লিষ্ট জেলার বিধায়ক, মণ্ডল সভাপতি এবং জেলা নেতৃত্ব উপস্থিত থাকবেন।
জনসংযোগ, প্রচার, সাংগঠনিক প্রস্তুতি এবং ভোট পরিচালনার জন্য দুই কেন্দ্রেই বিশেষ টিম গঠন করা হয়েছে। নন্দীগ্রামে ইতিমধ্যেই পাঁচটি মণ্ডলের দায়িত্ব পাঁচজন বিধায়কের মধ্যে ভাগ করে দেওয়া হয়েছে। কেন্দ্রীয় সমন্বয়ের দায়িত্বে রয়েছেন সাংসদ সৌমেন্দু অধিকারী। শনিবারের বৈঠকে নীলাঞ্জন অধিকারী, অনুপম মল্লিক-সহ অন্যান্য নেতৃত্বও উপস্থিত থাকবেন। রেজিনগরের বৈঠকে মুর্শিদাবাদ জেলার বিধায়ক ও জেলা নেতৃত্ব অংশ নেবেন।
পুজোর আগেই ভোটের সম্ভাবনা
বিজেপি নেতৃত্বের অনুমান, দুর্গাপুজোর আগেই নন্দীগ্রাম ও রেজিনগরে উপনির্বাচন হতে পারে। সেই সম্ভাবনা মাথায় রেখেই আগাম নির্বাচনী প্রস্তুতি শুরু করেছে দল। দলীয় সূত্রের দাবি, নন্দীগ্রামকে বিজেপি নিজেদের শক্ত ঘাঁটি হিসেবেই দেখছে এবং সেখানে জয়ের ব্যবধান আরও বাড়ানোর লক্ষ্য নিয়েছে। অন্যদিকে রেজিনগরেও জয়ের লক্ষ্যে সাংগঠনিক শক্তি বাড়ানোর ওপর জোর দিচ্ছে গেরুয়া শিবির।


