27.7 C
Kolkata
Friday, July 24, 2026
spot_img

“পালিয়ে যাওয়া সহজ”— ধর্মেন্দ্র প্রধানের ইস্তফা ইস্যুতে অনড় কেন্দ্র!

Aaj India Desk, নয়া দিল্লি: যন্তর মন্তরে লাগাতার সিজেপি-র বিক্ষোভ, বিরোধীদের আন্দোলন এবং পরীক্ষা ব্যবস্থা নিয়ে দেশজুড়ে বাড়তে থাকা ক্ষোভের মধ্যেও কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের (Dharmendra Pradhan) পদত্যাগের দাবি আপাতত মানতে নারাজ কেন্দ্র। সরকারের বক্তব্য, মন্ত্রী বদল নয়, বরং ন্যাশনাল টেস্টিং এজেন্সি (NTA)-র সংস্কার এবং কঠোর আইন কার্যকর করেই পরীক্ষাব্যবস্থার সমস্যার সমাধান করতে চায় তারা। তবে রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, পরিস্থিতি এখনও বদলাতে পারে।

সরকারের অবস্থান কী?

শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের (Dharmendra Pradhan) পদত্যাগকে সরকার কোনওভাবেই পরীক্ষাব্যবস্থার বর্তমান সংকটের সমাধান হিসেবে দেখছে না কেন্দ্র। প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য অনুযায়ী, একজন মন্ত্রী বদল করলেই পরীক্ষা পরিচালনার ত্রুটি বা অনিয়ম দূর হবে না। শুক্রবার প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী জানান, “ইস্তফা দিয়ে দায়িত্ব থেকে পালিয়ে যাওয়া সবচেয়ে সহজ পথ। সেই প্রশ্নই ওঠে না।” অর্থাৎ মন্ত্রীর পদত্যাগের বদলে এখন পরীক্ষা ব্যবস্থায় স্থায়ী ও কাঠামোগত পরিবর্তন আনাই সরকারের মূল লক্ষ্য।

আন্দোলনকারীদের দাবি কী?

শুক্রবার কনস্টিটিউশন ক্লাবে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জে. পি. নাড্ডা ও জিতেন্দ্র সিংয়ের সঙ্গে সিজেপি নেতৃত্বের প্রায় দু’ঘণ্টার বৈঠক হলেও কোনও সমাধানসূত্র বের হয়নি।সিজেপি জানিয়েছে, তাদের প্রথম ও প্রধান দাবি ধর্মেন্দ্র প্রধানের (Dharmendra Pradhan) পদত্যাগ। এছাড়াও তারা দাবি করেছে-

  • আন্দোলনকারীদের বিরুদ্ধে পুলিশি পদক্ষেপের জন্য প্রকাশ্যে ক্ষমা চাইতে হবে।
  • আত্মহত্যা করা ২২ জন পরীক্ষার্থীর পরিবারকে ১ কোটি টাকা করে ক্ষতিপূরণ দিতে হবে।
  • আন্দোলনকারীদের বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া সব এফআইআর প্রত্যাহার করতে হবে।
  • পরীক্ষাব্যবস্থায় আমূল সংস্কার করতে হবে।

সরকারি সূত্রের খবর, সব দাবি খতিয়ে দেখে শনিবার আনুষ্ঠানিকভাবে সরকারের অবস্থান জানানো হবে।

উল্লেখ্য, রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের একাংশের মতে, সরকারের বর্তমান অবস্থান শেষ কথা নাও হতে পারে। কারণ অতীতেও জনমতের চাপে কেন্দ্র গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত বদল করেছে। ২০১৫ সালে কৃষক সংগঠনগুলির বিরোধিতার মুখে জমি অধিগ্রহণ আইন সংশোধনের অধ্যাদেশ আর এগিয়ে নিয়ে যায়নি কেন্দ্র। পরে ২০২১ সালে দীর্ঘ কৃষক আন্দোলনের পর তিনটি কৃষি আইনও প্রত্যাহার করা হয়। তাই আগামী দিনে পরিস্থিতি বদলানোর সম্ভাবনাও আপাতত উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না।

আরও পড়ুন:

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

0FansLike
0FollowersFollow
0SubscribersSubscribe
- Advertisement -spot_img

আরও পড়ুন