নয়াদিল্লি: শনির সকালে যন্তর মন্তরে নাটকীয় মোড় নেয় সোনম ওয়াংচুকের (Sonam Wangchuk) আন্দোলন। অনশনের ২১ তম দিনে সোনম ওয়াংচুককে চিকিৎসার জন্য তুলে নিয়ে গিয়েছে দিল্লি পুলিশ। এরপরই পরই আন্দোলনের নেতৃত্বে সামনে এলেন ককরোচ জনতা পার্টি (CJP)-র প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দিপকে (Abhijit Dipke)। সেখানেই তিনি ঘোষণা করেন, শনিবার থেকেই তিনি আমরণ অনশন শুরু করছেন।
সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে অভিজিৎ দিপকে স্পষ্ট জানান, সোনম ওয়াংচুককে সরিয়ে দিলেই আন্দোলন থেমে যাবে, এমনটা ভাবা ভুল। তাঁর (Abhijit Dipke) কথায়, “২০ জুলাই সংসদ অভিযান নির্ধারিত সময়েই হবে। সোনমকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে, কিন্তু আন্দোলন স্তিমিত হবে না।”
X link: https://x.com/abhijeet_dipke/status/2078330556127850525
এরপরই অনশনমঞ্চে বসে অভিজিৎ ঘোষণা করেন, “আজ থেকে আমি অনশন শুরু করলাম। সবাইকে অনুরোধ করছি, পিছিয়ে যাবেন না। এই আন্দোলন আরও বড় হবে। ওরা চরম ভুল করেছে। সবাই যন্তর মন্তরে আসুন। এখান থেকেই আন্দোলন চলবে, আর ২০ জুলাই এখান থেকেই সংসদের উদ্দেশে পদযাত্রা শুরু হবে।”
অভিজিতের (Abhijit Dipke) অভিযোগ, দিল্লি পুলিশ তাঁকে মারধোর ও আটক করে। সোনম ওয়াংচুককে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার ঘটনাকে কেন্দ্র করে যন্তর মন্তর চত্বরে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। আন্দোলনকারীদের একাংশ পুলিশের পদক্ষেপের বিরোধিতা করে বিক্ষোভ দেখান। তবে প্রশাসনের পক্ষ থেকে এখনও পর্যন্ত সোনমকে (Sonam Wangchuk) হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার কারণ নিয়ে বিস্তারিত কোনও আনুষ্ঠানিক বিবৃতি দেওয়া হয়নি।
এদিকে সোনমের অনশনকে ঘিরে ইতিমধ্যেই দেশজুড়ে আলোচনা শুরু হয়েছে। তাঁর শারীরিক অবস্থার অবনতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে চিকিৎসক মহল এবং বিষয়টি আদালত পর্যন্ত গড়িয়েছে। সেই আবহেই সোনমকে হাসপাতালে সরানোর পর আন্দোলনের ব্যাটন হাতে তুলে নিয়ে অভিজিৎ দিপকের (Abhijit Dipke) অনশন শুরু হওয়ায় আন্দোলন নতুন পর্যায়ে প্রবেশ করল। এখন নজর ২০ জুলাইয়ের প্রস্তাবিত ‘সংসদ অভিযান’-এর দিকে, যা ঘিরে দিল্লিতে নিরাপত্তাও বাড়ানো হতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।


