Aaj India desk, কলকাতা: গত তিনদিন ধরে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় (Abhishek Banerjee) বাড়িতে থাকতেই পারছেন না। কখনও সি আই ডি কখনও ইডির ডাকে ছুটতে হচ্ছে তাঁকে। আর প্রায় প্রতিদিনই ১০ ঘণ্টার কমে ছাড়া পাচ্ছেন না অভিষেক। প্রথম দিন বিধানসভায় বিরোধী দলনেতা নির্বাচনের কাগজে বিধায়কদের সই জাল করার অভিযোগ। দ্বিতীয় দিন প্রাথমিকে শিক্ষক নিয়োগে আর্থিক দুর্নীতি এবং ‘লিপস অ্যান্ড বাউন্ডস’ সংস্থার আর্থিক লেনদেন সংক্রান্ত তদন্তের জন্য। এবং আজ ডিজে সংক্রান্ত মন্তব্যের জন্য তাঁকে জেরা করা হয়।
অভিষেকের জেরা নিয়ে কি বললেন কুণাল?
অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে (Abhishek Banerjee) প্রতিদিন দীর্ঘ সময় জেরা নিয়ে কুণাল বলেন, ” একটা মানুষকে যদি প্রতিদিন রুটিন করে একই সময়ে ডাকা হয়, তাহলে ধরে নিতে হবে এর মধ্যে রাজনৈতিক যোগসূত্র আছে। মামলার বিষয়ে আমি কিছু বলতে পারি না। কিন্তু প্রতিদিন তাঁকে এই ভাবে আটকে রাখা হচ্ছে মানে রাজনৈতিক প্রতিহিংসা চরিতার্থ করা হচ্ছে।” তবে অভিষেকের মামলা নিয়ে কুণাল কোনো কথা বলতে চাননি। সাম্প্রতিক সময়ে দলের নেতাদের মধ্যে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে নিয়ে সমস্যা দেখা যাচ্ছে। কুণালের নীরবতা নিয়েও জল্পনা তৈরি হয়েছে।
সত্যিই কি রাজনৈতিক প্রতিহিংসা?
আজ লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লা তৃণমূল কংগ্রেসের সাম্প্রতিক ভাঙন নিয়ে আলোচনার জন্য এই বৈঠক ডেকেছিলেন। অভিষেককে (Abhishek Banerjee) এই বৈঠকে যোগ দিতে বলা হয়। কিন্তু সেই নোটিস তাঁর কাছে মাত্র ২ ঘণ্টা আগে এসে পৌঁছয়। তখন অভিষেক সিজিও কমপ্লেক্সে তদন্তকারীদের জেরার সামনে। ফলে তিনি এই বৈঠকে যোগ দিতে পারেননি। এই ঘটনায় তৃণমূলের অভিযোগ বারবার করে অভিষেককে ডাকা এবং সেই সময় লোকসভায় তৃনমূলের ভাঙন আসলে অপারেশন লোটাসের অংশ। অভিষেককে ব্যস্ত রেখেই এভাবে তাঁর দল ভাঙার কাজটা করলো বিজেপি।


