নয়াদিল্লি: রাজধানীর ২০ আকবর রোডে লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লার বাড়িতে পৌঁছে গেলেন তৃণমূলের বিদ্রোহী সাংসদরা (Rebel TMC MP)। ‘লোকসভার ভিতরে আলাদা গোষ্ঠী তৈরি করা সংবিধানবিরোধী’ বলে স্পিকারের কাছে ‘মমতাপন্থী’ সাংসদ কীর্তি আজাদ ও সাগরিকা ঘোষের চিঠি দেওয়ার কিছুক্ষণ পরই স্পিকারের বাড়িতে পৌঁছন কাকলি, সুদীপ, মালা, শতাব্দীরা। সূত্রের খবর, অসম বা ত্রিপুরার কোনও দলের সঙ্গে জুড়তে পারে বিদ্রোহীরা (Rebel TMC MP)।
নিজেদের ‘আসল তৃণমূল’ বলে দাবি করে লোকসভায় পৃথক আসন বরাদ্দের আবেদন জানাতে পারেন। পাশাপাশি ভবিষ্যতে এনডিএ সরকারকে সমর্থনের বিষয়েও অবস্থান স্পষ্ট করার সম্ভাবনা রয়েছে। উল্লেখ্য, বিদ্রোহীদের যাওয়ার আগে স্পিকারের কাছে অভিষেকের চিঠি দেন কীর্তি আজাদ ও সাগরিকা ঘোষ। বিদ্রোহী (Rebel TMC MP) ব্লক করার কোনও আইনি বৈধতা নেই বলে স্পিকারকে জানিয়েছেন তাঁরা। সূত্রের খবর, লোকসভার স্পিকারের কাছে চিঠি দিয়ে সাগরিকা জানিয়েছেন, দল একটি অবিভাজ্য রাজনৈতিক সংগঠন এবং লোকসভার ভিতরে আলাদা গোষ্ঠী তৈরি করার কোনও সাংবিধানিক বা আইনি ভিত্তি নেই।
সাগরিকা ঘোষ (Sagarika Ghosh) বলেন, “আমরা স্পিকারকে চিঠি দিয়ে জানিয়েছি, তৃণমূল কংগ্রেস একটি অবিভাজ্য দল। লোকসভার ভিতরে আলাদা গোষ্ঠী তৈরি করা সংবিধানবিরোধী। সংবিধান বা আইন এ ধরনের পদক্ষেপের অনুমতি দেয় না।” তাঁর অভিযোগ, যারা তৃণমূল ভেঙে পৃথক গোষ্ঠী গঠনের চেষ্টা করছেন, তাঁদের পদক্ষেপ আইনবিরোধী এবং রাজনৈতিকভাবে অনৈতিক।
পাশাপাশি কীর্তি আজাদ বলেন, “বিষয়টি অত্যন্ত স্পষ্ট। সুপ্রিম কোর্টের সাংবিধানিক বেঞ্চ এবং দশম তফশিলের ৪ নম্বর অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে যে, কোনো বিভাজন হতে পারে না। মহারাষ্ট্রে যা ঘটেছে, তা ভুল। তাই এ বিষয়ে আমরা একটি আবেদন নিয়ে এখানে এসেছি এবং স্পিকারের কাছে তা জমা দিয়েছি। আমরা সম্পূর্ণ আস্থাশীল যে, স্পিকার নিয়ম মেনেই পদক্ষেপ নেবেন, যেমনটা তিনি এখনও পর্যন্ত করে এসেছেন।”


