Aaj India Desk, নদিয়া: ১২ জন বাংলাদেশি (Bangladeshi)-কে জোর করে সীমান্ত পেরিয়ে বাংলাদেশে পাঠানোর অভিযোগকে কেন্দ্র করে ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে উত্তেজনা এখনও বজায় রয়েছে। নদিয়া (Nadia)-র হোগলবেড়িয়া থানার অন্তর্গত রানিনগর সীমান্ত এবং বাংলাদেশের প্রাগপুর সীমান্ত এলাকায় এই পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে বিএসএফ (BSF) এবং বিজিবি (BGB)-এর মধ্যে টানা দু’দিন ফ্ল্যাগ মিটিং হলেও এখনও কোনও চূড়ান্ত সমাধান বের হয়নি।
বিজিবি এবং সীমান্ত সংলগ্ন বাংলাদেশের গ্রামবাসীদের দাবি, গত শুক্রবার ভোরে বিএসএফ কাঁটাতারের গেট খুলে চার জন মহিলা ও চার জন শিশুসহ মোট ১২ জনকে বাংলাদেশের ভেতরে ঢুকিয়ে দেয়। তবে এই অভিযোগ সম্পূর্ণ অস্বীকার করেছে বিএসএফ। তাদের বক্তব্য, রানিনগর সীমান্ত দিয়ে কাউকে পুশ-ইন করা হয়নি।
এদিকে বাংলাদেশের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে, যাঁদের নিয়ে এই বিতর্ক তৈরি হয়েছে তাঁরা আসলে ভারতীয় নাগরিক। তাই তাঁদের আবার ভারতে ফিরিয়ে নেওয়া উচিত। দুই দেশের এই অবস্থানগত বিরোধের ফলে ওই ১২ জন বর্তমানে সীমান্তের জিরো পয়েন্ট এলাকায় অনিশ্চয়তার মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন।
শনিবার দুপুরে বিএসএফ ও বিজিবির মধ্যে দ্বিতীয় দফার বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। সেই বৈঠকেও বিজিবি তাদের আগের দাবিতেই অনড় থাকে। অন্যদিকে বিএসএফ পুনরায় জানিয়ে দেয় যে, রানিনগর সীমান্ত দিয়ে কোনও ধরনের পুশ-ইনের ঘটনা ঘটেনি। তবে, দুই দেশের সুসম্পর্ক বজায় রাখার স্বার্থে বিএসএফ জানিয়েছে, বিজিবির উত্থাপিত বিষয়টি তাদের উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠানো হচ্ছে। সেখান থেকে যে নির্দেশ আসবে, সেই অনুযায়ী পরবর্তী পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।
এদিকে সীমান্তে যাতে নতুন করে কোনও সমস্যা না তৈরি হয় এবং অনুপ্রবেশ রোখা যায়, সেজন্য বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী এলাকার বাসিন্দারাও বিজিবিকে সহযোগিতা করছেন। ফলে পরিস্থিতির ওপর এখনও কড়া নজর রাখা হচ্ছে দুই দেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনীর তরফে।


