Aaj India Desk, কলকাতা: সোনারপুরে মৃত তৃণমূল কর্মীর (Dead TMC Worker) পরিবারের সঙ্গে দেখা করতে গিয়ে হামলার শিকার হওয়ার পর তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় (Abhishek Banerjee)-এর চিকিৎসা নিয়ে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। তৃণমূলের অভিযোগ, প্রথমে বাইপাসের ধারের একটি বেসরকারি হাসপাতালে এবং পরে আরও একটি বেসরকারি হাসপাতালে তাঁকে ভর্তি নেওয়া হয়নি। তবে একটি হাসপাতালে প্রায় ২ ঘণ্টা আইটিইউ-তে (ITU) পর্যবেক্ষণে রাখার পর কিছু সাধারণ ওষুধ দিয়ে তাঁকে বাড়ি পাঠিয়ে দেওয়া হয়।
বর্তমানে বাড়িতেই চিকিৎসাধীন রয়েছেন অভিষেক। চিকিৎসকদের পরামর্শ অনুযায়ী তাঁকে স্যালাইন দেওয়া হচ্ছে। পাশাপাশি ব্যথার ওষুধ এবং খাবারের আগে গ্যাসের ওষুধও খেতে বলা হয়েছে। সূত্রের খবর, শনিবার রাতেও তাঁর বমি বমি ভাব ছিল। কিছু সময়ের জন্য তাঁকে অক্সিজেনও দেওয়া হয়। জানা গিয়েছে, গভীর রাত পর্যন্ত তাঁর বাড়িতে ছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee) ও সাথে উপস্থিত ছিলেন শোভন চট্টোপাধ্যায় (Shovon Chatterjee)।
অভিষেককে হাসপাতালে ভর্তি না নেওয়া নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর দাবি, একটি বেসরকারি হাসপাতালের কর্তার সঙ্গে কথা বলার সময় তিনি জানতে পারেন যে বিভিন্ন মহল থেকে হাসপাতালের উপর চাপ তৈরি করা হচ্ছিল। মমতার অভিযোগ, কিছু পুলিশ আধিকারিক এবং বিজেপি নেতারা অভিষেককে ভর্তি না নেওয়ার জন্য থ্রেট দিচ্ছিলেন। তাঁর কথায়, চিকিৎসকরাও এই পরিস্থিতিতে অসহায় ছিলেন এবং দুঃখ প্রকাশ করেছেন। এরপরই মমতা জানান, অভিষেকের চিকিৎসার জন্য বাড়িতেই হাসপাতালের মতো ব্যবস্থা করা হচ্ছে। আপাতত সেখানেই তাঁর চিকিৎসা চলবে।
প্রসঙ্গত, শনিবার সোনারপুরে মৃত তৃণমূল কর্মী সঞ্জু কর্মকারের পরিবারের সঙ্গে দেখা করতে যাচ্ছিলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। অভিযোগ, কামালগাছি মোড়ের কাছে তাঁর গাড়ি আটকে বিক্ষোভ দেখানো হয়। সেই সময় তাঁকে লক্ষ্য করে ডিম, কাদা ও পাথরও ছোড়া হয় এবং শারীরিকভাবে হেনস্তারও অভিযোগ উঠেছে।


