Aaj India desk, নয়াদিল্লি: আবার আতঙ্কিত ভারত। ইবোলা (Ebola) ভাইরাস কি আবার ফিরিয়ে আনবে লকডাউনের দিনগুলো?আফ্রিকার ডেমোক্রেটিক রিপাবলিক অব কঙ্গো এবং উগান্ডায় ইবোলা ভাইরাসের ব্যাপক প্রাদুর্ভাব দেখা দেওয়ায় বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বা WHO গত ১৭ মে একে ‘পাবলিক হেলথ ইমার্জেন্সি অব ইন্টারন্যাশনাল কনসার্ন’ (PHEIC) বা জরুরি অবস্থা হিসেবে ঘোষণা করেছিল। এটিই বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার দেওয়া সর্বোচ্চ স্তরের সতর্কতা। ভারতেও এরপর সতর্কতা জারি করা হয়।
তবুও আতঙ্ক ছড়ালো কেন?
গুজরাট এবং কর্নাটকে দুই ব্যক্তির শরীরে ইবোলা (Ebola) আক্রান্ত হওয়ার লক্ষণ পাওয়া গেছে। জানা গেছে তাঁরা আফ্রিকার ওই দুই দেশ থেকেই এসেছিলেন। বেঙ্গালুরু থেকে ২৮ বছর বয়সী এক নারী উগান্ডা থেকে এসে একটি হোটেলে উঠে। তাঁর শরীরে সামান্য গা-ব্যথার লক্ষণ ছিল। উগান্ডায় ইবোলার প্রাদুর্ভাব চলছে, তাই প্রোটোকল অনুসারে তাঁকে তড়িঘড়ি সরকারি হাসপাতালে আইসোলেশনে স্থানান্তরিত করা হয়। অন্যদিকে ৩৭ বছর বয়সী এক ব্যবসায়ী কঙ্গো প্রজাতন্ত্র থেকে মুম্বাই হয়ে গুজরাটের ভাদোদরায় পৌঁছেছিলেন। তার পর তাঁর জ্বর, সর্দি ও কাশির মতো উপসর্গ দেখা দেয়। তাঁকেও সতর্কতা অনুসারে আহমেদাবাদ সিভিল হাসপাতালের বিশেষ ইবোলা ওয়ার্ডে কোয়ারেন্টাইনে রাখা হয়েছিল।
বর্তমান পরিস্থিতি কী?
উগান্ডা থেকে আসা মহিলাকে ইবোলা (Ebola) সন্দেহে বেঙ্গালুরুতে আইসোলেশনে রাখা হয়েছিল। তাঁর পরীক্ষার রিপোর্ট নেগেটিভ এসেছে। ফলে বেঙ্গালুরু নিয়ে আপাতত প্রশাসনের চিন্তা কেটেছে। গুজরাটের ব্যবসায়ী জ্বর, সর্দি ও কাশির উপসর্গ নিয়ে ভর্তি হয়েছেন। তাঁর ট্রাভেল হিস্ট্রি জানার পর সতর্কতা হিসেবে তাঁকে আহমেদাবাদ সিভিল হাসপাতালের বিশেষ ইবোলা ওয়ার্ডে কোয়ারেন্টিনে রাখা হয়েছে। গুজরাটের স্বাস্থ্যমন্ত্রী প্রফুল পানশেরিয়া জানিয়েছেন, ওই ব্যবসায়ীর ইবোলা পরীক্ষার রিপোর্টও নেগেটিভ এসেছে। ফলে গুজরাটেও সংক্রমণের কোনও ঝুঁকি নেই। তবে ভারত সরকার দেশবাসীকে খুব প্রয়োজন ছাড়া কঙ্গো ও উগান্ডা সহ আক্রান্ত দেশগুলোতে ভ্রমণ না করার পরামর্শ দিয়েছে।


