34.9 C
Kolkata
Tuesday, October 6, 2026
spot_img

CEC-এর ইস্তফার দাবিতে দিল্লির রাস্তায় বিক্ষোভ! আটক রাহুল-প্রিয়াঙ্কারা!

Aaj India Desk, নয়া দিল্লি: স্লোগান উঠেছিল ‘গণতন্ত্র বাঁচাও’, হাতে ছিল প্রতিবাদের প্ল্যাকার্ড, কিন্তু নির্বাচন সদনের দরজায় পৌঁছনোর আগেই থমকে গেল বিরোধীদের মিছিল। দিল্লির আকাশবাণী ভবনের কাছে ব্যারিকেডের সামনে রাস্তায় বসে পড়লেন রাহুল গান্ধী (Rahul Gandhi), প্রিয়ঙ্কা গান্ধী, মল্লিকার্জুন খাড়্গে-সহ ইন্ডি জোটের নেতারা। শেষ পর্যন্ত পুলিশ তাঁদের আটক করে। প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগ এবং নির্বাচন কমিশনের নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন তুলে মঙ্গলবারের এই বিক্ষোভে ফের উত্তপ্ত হল রাজধানীর রাজনীতি।

মঙ্গলবার সংসদ চত্বর থেকে নির্বাচন সদনের উদ্দেশে মিছিল শুরু করেন ইন্ডি জোটের সাংসদরা। ‘গণতন্ত্র বাঁচাও’ লেখা প্ল্যাকার্ড হাতে নিয়ে এগোচ্ছিলেন তাঁরা। তবে নির্বাচন সদনের প্রায় ১০০ মিটার আগে আকাশবাণী ভবনের কাছে মিছিল আটকে দেয় দিল্লি পুলিশ। পুলিশের দাবি, এই মিছিলের জন্য অনুমতি নেওয়া হয়নি। সেই কারণেই বিরোধী নেতাদের এগোতে বাধা দেওয়া হয়। এলাকায় আগে থেকেই একাধিক ব্যারিকেড বসানো হয়েছিল এবং পুলিশ ও আধাসামরিক বাহিনী মোতায়েন ছিল।

পুলিশি বাধার পর ব্যারিকেডের সামনে বসে পড়েন রাহুল গান্ধী (Rahul Gandhi), প্রিয়ঙ্কা গান্ধী ও মল্লিকার্জুন খাড়্গে-সহ বিরোধী সাংসদরা। পুলিশের সঙ্গে তাঁদের বচসাও হয়। মিছিলের কয়েকজন ব্যারিকেড টপকে এগোনোর চেষ্টা করেন। সমাজবাদী পার্টির সাংসদ ধর্মেন্দ্র যাদবও ব্যারিকেড পার হওয়ার চেষ্টা করেন। পরে মিছিলে যোগ দেন দলের প্রধান অখিলেশ যাদব।

বিক্ষোভকারীদের স্লোগানে বারবার উঠে আসে প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবি। ভোটার তালিকা সংশোধন এবং নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়ে বিরোধীরা যে অভিযোগ তুলছে, সেই বিষয়েও সরব হন তাঁরা।

ইন্ডি জোটের কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ও। বাংলায় এসআইআর নিয়ে তৈরি হওয়া বিতর্কের প্রসঙ্গ তুলে তিনি দাবি করেন, দেশজুড়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে ক্ষোভ তৈরি হয়েছে।বিজেপি কেন এতটা আত্মবিশ্বাসী, সেই প্রশ্নও তোলেন অভিষেক। তাঁর অভিযোগ, নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়ে যে প্রশ্ন উঠছে, তার সঙ্গে ভোটের ফলাফলকে প্রভাবিত করার আশঙ্কাও জড়িয়ে রয়েছে।

জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে আন্দোলন শুধু দিল্লিতেই সীমাবদ্ধ রাখার পরিকল্পনা নেই বিরোধীদের। কংগ্রেসের ঘোষিত কর্মসূচি অনুযায়ী, ১০ থেকে ২০ অক্টোবর ব্লক স্তরে ‘ভোট বাঁচাও, দেশ বাঁচাও’ প্রচার চালানো হবে। সাইকেল ও মোটরবাইক মিছিল, পথসভা এবং প্রচারপত্র বিলির কর্মসূচিও রয়েছে। ২৫ অক্টোবর থেকে ২৫ নভেম্বর পর্যন্ত বুথ স্তরে চৌপাল করার পরিকল্পনা রয়েছে। ১ নভেম্বর দিল্লির রামলীলা ময়দানে বড় সভারও ঘোষণা করা হয়েছে।

২৫ ও ২৬ নভেম্বর দিল্লির আশপাশের এলাকা থেকে একাধিক মিছিল বের করে ২৬ নভেম্বর সংবিধান দিবসে রাজধানীতে জমায়েত করার পরিকল্পনা রয়েছে। এরপর সংসদের শীতকালীন অধিবেশনে জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে মহাভিযোগ প্রস্তাব আনার কথাও জানিয়েছে কংগ্রেস। তবে মঙ্গলবারের কর্মসূচিতে ইন্ডি জোটের সব শরিককে দেখা যায়নি। আম আদমি পার্টি এবং ডিএমকে মিছিলে অংশ নেয়নি। ফলে জ্ঞানেশ কুমারকে ঘিরে বিরোধীদের আন্দোলনের পাশাপাশি জোটের অভ্যন্তরীণ সমন্বয় নিয়েও প্রশ্ন উঠছে। (Rahul Gandhi)

আরও পড়ুন:

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

0FansLike
0FollowersFollow
0SubscribersSubscribe
- Advertisement -spot_img

আরও পড়ুন