32 C
Kolkata
Monday, April 20, 2026
spot_img

বাংলার মানুষকে ‘রয়্যাল বেঙ্গল টাইগার’ তকমা ! প্রচার মঞ্চ থেকে গর্জন মোদীর !

Aaj India Desk, বাঁকুড়া : ২০২৬ সালের পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের আগে বাকি মাত্র কয়েকদিন। এর আগে শেষ মুহূর্তের প্রচারে ব্যস্ত সমস্ত রাজনৈতিক দল। রবিবার রাজ্যজুড়ে জোরদার প্রচারে নেমেছে বিজেপি। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর (Narendra Modi) চারটি জনসভা ছাড়াও একাধিক কেন্দ্রীয় নেতা বিভিন্ন জেলায় সভা ও রোড শো করছেন। পাল্টা কর্মসূচিতে আজ তৃণমূলও মাঠে নেমে প্রচার জোরদার করেছে।

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী (Narendra Modi) রবিবার একাধিক জনসভায় অংশ নিচ্ছেন। তাঁর প্রথম সভা বাঁকুড়ার বিষ্ণুপুরে অনুষ্ঠিত হয়। বক্তব্যের শুরুতে তিনি রাম নামের পরিবর্তে দুর্গা ও মহাদেবের নাম স্মরণ করেন এবং নববর্ষের শুভেচ্ছা জানান।

সভা থেকেই মোদী তৃণমূল কংগ্রেসকে লক্ষ্য করে একাধিক অভিযোগ তোলেন। তিনি বলেন, “তারা আদিবাসী সমাজের কথা ভাবে না, শুধুমাত্র ভোটব্যাঙ্কের রাজনীতি করে।” তিনি বলেন বিজেপিই প্রথম ভারতবর্ষকে জনজাতি রাষ্ট্রপতি দিয়েছে। তিনি দাবি করেন যে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের সময় তৃণমূল জনজাতি প্রার্থীর বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছিল।

এরপরেই সভা থেকে তিনি হুঁশিয়ারি দেন, “২৯ এপ্রিলের মধ্যে তৃনমূলের সকল গুণ্ডারা স্থানীয় থানায় গিয়ে সারেন্ডার করে নিন। না হলে চার তারিখের পর খুব খারাপ হয়ে যাবে।” নিজের জয় নিয়ে আত্মবিশ্বাসী হয়ে মোদী বলেন যে তাঁর সরকারে বাংলায় কোনো দুর্নীতি , নির্মমতা চলবে না।

পাশাপাশি তিনি রাজ্যে সরকার পরিবর্তনের আহ্বান জানান। বক্তব্য চলাকালীন মোদী (Narendra Modi) বলেন, “বাংলার মানুষ রয়্যাল বেঙ্গল টাইগার, আপনারাই এই নির্মম সরকার উৎখাত করে বাংলায় পরিবর্তন আনবেন।” তিনি আরও দাবি করেন, ৪ মে ফল ঘোষণার পর রাজনৈতিক পরিস্থিতি বদলাবে। তাঁর এই মন্তব্য ঘিরে রাজনৈতিক মহলে আলোচনা শুরু হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী তাঁর বক্তব্যে দাবি করেন, আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনে “নতুন ইতিহাস” তৈরি হতে পারে। তিনি বলেন, রাজ্যে তৃণমূল কংগ্রেসের শাসনের অবসান ঘটবে এবং বিজেপির “সেবা করার সময়” আসছে। ৪ মে ফল ঘোষণার আগে থেকেই রাজনৈতিক পরিস্থিতির ইঙ্গিত মিলছে বলে উল্লেখ করে তিনি তৃণমূল নেতৃত্বের সাম্প্রতিক মন্তব্যকেও সেই প্রেক্ষিতে তুলে ধরেন। মোদীর কথায়, “যারা এত দিন ভয় দেখাত, তারাই এখন ভীত,” এবং এই পরিস্থিতিকেই তিনি আসন্ন ফলাফলের এক ধরনের “ইঙ্গিত” হিসেবে ব্যাখ্যা করেন।

সব মিলিয়ে, প্রথম দফার ভোটের আগে রাজ্যে প্রচারের তীব্রতা স্পষ্টভাবে বেড়েছে, এবং শাসক-বিরোধী উভয় শিবিরই শেষ মুহূর্তে ভোটারদের কাছে নিজেদের বার্তা পৌঁছে দিতে সর্বশক্তি নিয়োগ করছে। তবে রাজনৈতিক বক্তব্য ও পাল্টা দাবির বাইরে, নির্বাচনের প্রকৃত চিত্র স্পষ্ট হবে ভোটগ্রহণ ও ফল প্রকাশের দিনেই। শান্তিপূর্ণ ও অবাধ ভোট নিশ্চিত করাই এখন প্রশাসনের প্রধান চ্যালেঞ্জ।

আরও পড়ুন:

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

0FansLike
0FollowersFollow
0SubscribersSubscribe
- Advertisement -spot_img

আরও পড়ুন