কলকাতা: আইপ্যাক (I-pac) অফিস ও প্রতীক জৈনের বাড়িতে ইডির তল্লাশি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর অঙ্গুলিহেলনে হয়ে আসছে বলে শুরু থেকেই তোপ দেগে আসছে ঘাসফুল শিবির। এবার শুধু অভিযোগ নয়, মেসেজে দুই ব্যক্তির কথোপকথনের একটি স্ক্রিনশটকে “প্রমাণ” হিসেবে সমাজমাধ্যমে পোস্ট করেছেন তৃণমূল কংগ্রেসের মুখপাত্র কুণাল ঘোষ (Kunal Ghosh)। তাঁর প্রশ্ন, “ইডির গতিবিধি কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক অফিস থেকে নিয়ন্ত্রিত?”
কি আছে স্ক্রিনশটে?
কুণাল ঘোষের পোস্ট করা স্ক্রিনশট অনুযায়ী এক ব্যক্তি বলছেন যে তিনি অমিত শাহের (Amit Shah) আপ্তসহায়ক সাকেত কুমারের থেকে জানতে পেরেছেন যে ইডির ১৩ জন আধিকারিক এবং ডেপুটি ডিরেক্টর মহারাষ্ট্র থেকে কলকাতায় আসছেন। সেইসঙ্গে একজন সাইবার এক্সপার্ট গুলশন রাইও কলকাতায় আসবেন। সেই সঙ্গে দেওয়া হয়েছে দুটি বিমান নম্বর। তাঁদের সিজিও কমপ্লেক্সে একটি জরুরী মিটিং রয়েছে।
যদিও মেসেজটির তারিখ বা সময় কোনটিই পোস্ট করেননি কুণাল ঘোষ (Kunal Ghosh)। তবে তাঁর দাবী, ৮ তারিখ প্রতীক জৈনের (Prateek Jain) বাড়ি ও আইপ্যাক অফিসে তল্লাশি চালিয়েছে। যাঁদের সরাসরি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কাছ থেকে অর্ডার এসেছিল। সমাজমাধ্যমে পোস্টটিতে কুণাল লেখেন, “আইপ্যাক অফিসে তল্লাশির নামে বৃহত্তর চিত্রনাট্যের নেপথ্যকাহিনী? সূত্র মারফৎ পাওয়া দুই ব্যক্তির মধ্যে কথোপকথনের এই মেসেজ সত্য হলে চক্রান্তের পুরোপুরি তদন্ত দরকার। আশা করি পুলিশের তদন্তকারীরা দেখবেন।”
উল্লেখ্য, ৮ জানুয়ারি আইপ্যাকের (I-Pac) অফিস ও কর্ণধার প্রতীক জৈনের বাড়িতে ইডির তল্লাশিকে কেন্দ্র করে সরগরম রাজ্য রাজনীতি। ইডি অভিযান চলাকালীন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সেখানে হাজির হওয়া এবং ফাইল ও ল্যাপটপ সহ বেশ কিছু নথিপত্র নিয়ে যাওয়া নিয়ে তুঙ্গে রাজনৈতিক তরজা। দলের ‘গোপন’ তথ্য হাতাতে এই অভিযানের পেছনে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর হাত রয়েছে বলে আগেই তোপ দেগেছেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। অন্যদিকে, তদন্ত অভিযানে বাধা ও নথি “কেড়ে নেওয়া”র অভিযোগে হাইকোর্টের পর সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছে ইডি।


