Aaj India, কলকাতা: চাকরি হারিয়েছেন – তবুও দায়িত্ব থেকে রেহাই নেই! এমনই অদ্ভুত পরিস্থিতির মুখে পড়েছেন একাধিক শিক্ষক। দুর্নীতির দায়ে ‘দাগি’ প্রমাণিত শিক্ষকদের ভোটের কাজে ব্যবহার না করার নির্দেশ স্পষ্টভাবে দিয়েছে নির্বাচন কমিশন। কিন্তু বাস্তবে দেখা যাচ্ছে, ইতিমধ্যেই কয়েকজন চাকরিহারা শিক্ষককে ভোটের ডিউটি দেওয়া হয়েছে।
তাই অভিযোগ উঠছে, যেসব শিক্ষক দুর্নীতির অভিযোগে চাকরি হারিয়েছেন, তাঁদের ক্ষেত্রে আইনি প্রক্রিয়া, পুনর্বিবেচনা বা বিকল্প কর্মসংস্থানের মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলোকে গুরুত্ব না দিয়ে, প্রশাসন যেন সহজ পথ বেছে নিয়েছে। তাদের নাম পুরনো তালিকা থেকে না মুছে সরাসরি ভোটের ডিউটিতে ঠেলে দেওয়া হয়েছে। ফলে অনেকেই প্রশ্ন করছে , এটা কি কেবল ডেটাবেসের ভুল, নাকি এর আড়ালে রয়েছে দায়িত্ব এড়ানোর মানসিকতা?
কারণ, একজন চাকরিহারা শিক্ষকের জন্য সবচেয়ে জরুরি বিষয় হল – তার চাকরির ভবিষ্যৎ কী, সে আদৌ আবার কাজে ফিরতে পারবে কিনা, বা তার জন্য কী পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। কিন্তু সেই দিকটা উপেক্ষা করে তাকে অস্থায়ীভাবে ভোটের কাজে লাগানো হলে, সমস্যার মূল সমাধান কোনভাবেই সম্ভব না। যদিও কমিশনের ব্যাখ্যা, এই বিভ্রান্তির কারণ পুরনো ডেটাবেস-ই। আগের তথ্যের ভিত্তিতেই তাঁদের নাম উঠে এসেছে তালিকায়। তবে এই ভুল দ্রুত সংশোধন করা হচ্ছে বলেও জানিয়েছে কমিশন
এদিকে, নজিরবিহীন সিদ্ধান্তে এবার ভোটের দায়িত্বে টানা হচ্ছে চিকিৎসকদেরও। সরকারি হাসপাতালের ডাক্তারদের নামেও প্রিসাইডিং অফিসার হিসেবে নিয়োগপত্র পৌঁছেছে। এমনিতেই হাসপাতালগুলোতে রোগীর চাপ তুঙ্গে – তার ওপর চিকিৎসকদের ভোটের কাজে যুক্ত করা হলে পরিষেবায় প্রভাব পড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। অনেকক্ষেত্রে আবার হাসপাতালে সিনিয়র চিকিৎসকদের অনুপস্থিতিরও


