Aaj India Desk, কলকাতা : আসন্ন পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের আগে কলকাতায় জোট ঘোষণা করল বিজেপির বি টিম তকমা পাওয়া হুমায়ুন কবীরের আম জনতা উন্নয়ন পার্টি (AJUP) এবং আসাদউদ্দিন ওয়াইসির All India Majlis-e-Ittehad-ul-Muslimeen (AIMIM)।
কয়টি আসনে প্রার্থী ?
জোট ঘোষণা করে জানানো হয়, মুর্শিদাবাদ, মালদা, বীরভূম, উত্তর দিনাজপুর এবং পশ্চিম বর্ধমানে মোট ১০টি আসনে প্রার্থী দেবে মিম। প্রথমে মিম ১৫টি আসনে লড়তে চাইলেও শেষ পর্যন্ত আলোচনা করে ১০ আসনে সমঝোতা হয়। পাশাপাশি হুমায়ুন জানান, আগে তিনি ১৮২টি আসনে প্রার্থী দেওয়ার কথা বলেছিলেন। তবে এখন চাহিদা বাড়ছে এবং বহু আবেদন আসছে। সেই কারণে প্রার্থীর সংখ্যা ১৯০-১৯২ পর্যন্ত যেতে পারে বলেও ইঙ্গিত দেন তিনি। কংগ্রেসের প্রার্থী তালিকা প্রকাশের পর চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে বলে জানান তিনি।
জোটের প্রতীক হিসেবে ‘হুইসেল’ বা বাঁশি চিহ্ন সামনে আনা হয়। এদিন মঞ্চে সেই প্রতীক তুলে ধরে হুমায়ুন কবীর বলেন, “মাঠে রেফারি যেমন বাঁশি বাজিয়ে নিয়ন্ত্রণ করেন, তেমনই আমরাও বিরোধীদের সতর্ক করব। বাঁশি বাজলেই সবাই আউট।”
জোট ঘিরে জল্পনা
এই আবহে ফের শুরু হয়েছে রাজনৈতিক বিতর্ক। রাজ্যের সংখ্যালঘু ভোটের একটি অংশ লক্ষ্য করেই এই জোট কাজ করবে বলে মত রাজনৈতিক মহলের। মিম বা আম জনতা উন্নয়ন পার্টির (AJUP) কারুরই স্থায়ী ভোটব্যাঙ্ক না থাকলেও সংখ্যালঘু ভোট ‘কাটার’ অভিযোগ করেছে বর্তমান শাসক দলও। আপাতদৃষ্টিতে বিজেপির এই ‘বি টিম’ আম জনতা উন্নয়ন পার্টি (AJUP) ও তাদের ‘বি টিম’ মিমের এই জুটিতে প্রভাব পড়তে পারে তৃনমূল কংগ্রেসের ভোটব্যাঙ্কের সমীকরণে। যদি তা হয় তবে সে ক্ষেত্রে রাজ্যে বিজেপির ভোটে জেতার রাস্তা খুলছে বলা যায়। তবে এই জোট সমীকরণ বাস্তবে কতটা প্রভাব ফেলতে পারে তা নির্ভর করছে তাদের প্রচার কৌশল এবং গ্রহণযোগ্যতার উপর। বিশেষ করে তৃণমূল কংগ্রেসের ভোটব্যাঙ্কে এর প্রভাব পড়বে কি না, সেদিকেই নজর রাজনৈতিক মহলের।


