29.5 C
Kolkata
Monday, October 12, 2026
spot_img

ডিলিমিটেশন বিল নিয়ে মোদী সরকারকে চাপে ফেলতে বড় পদক্ষেপ কংগ্রেসের! কী দাবি জয়রাম রমেশের?

Aaj India Desk, নয়াদিল্লি:লোকসভায় (Lok Sabha) ডিলিমিটেশন (Delimitation) বা নির্বাচনী কেন্দ্রের সীমানা পুনর্নির্ধারণ সংক্রান্ত বিল ঘিরে রাজনৈতিক টানাপোড়েন আরও বাড়ল। এই ইস্যুতে এবার কেন্দ্রীয় সরকারকে সরাসরি নিশানা করল কংগ্রেস (Congress)। সংসদের দুই কক্ষের অধিবেশন আনুষ্ঠানিকভাবে শেষ করার পাশাপাশি সমস্ত রাজনৈতিক দলকে নিয়ে আলোচনায় বসার দাবি তুলেছেন কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদক জয়রাম রমেশ (Jairam Ramesh)। তবে তাঁর বক্তব্য, মুখ্য নির্বাচন কমিশনার (Chief Election Commissioner) জ্ঞানেশ কুমার (Gyanesh Kumar) পদত্যাগ না করা পর্যন্ত ডিলিমিটেশন নিয়ে কার্যকর আলোচনা সম্ভব নয়।

সংসদ মুলতবি নিয়ে কেন প্রশ্ন তুলল কংগ্রেস?

জয়রাম রমেশের (Jairam Ramesh) বক্তব্য অনুযায়ী, গত ১৩ আগস্ট সংসদের বাদল অধিবেশন (Monsoon Session) শেষ হলেও লোকসভা (Lok Sabha) ও রাজ্যসভার (Rajya Sabha) অধিবেশন আনুষ্ঠানিকভাবে সমাপ্ত করার প্রক্রিয়া এখনও বাকি। তাঁর দাবি, সংসদ মুলতবি করার ক্ষেত্রে এই দীর্ঘসূত্রতা নজিরবিহীন। এর আগে ২০১৫ সালে অধিবেশন শেষ হওয়ার পর সংসদের দুই কক্ষ আনুষ্ঠানিকভাবে মুলতবি করতে ২৮ দিন সময় লেগেছিল বলে উল্লেখ করেছেন তিনি।

ডিলিমিটেশন বিল ঘিরে রাজনৈতিক সংঘাত

ডিলিমিটেশন সংক্রান্ত বিল পাশ করানোর জন্য কেন্দ্রের উদ্যোগ সফল হয়নি বলে দাবি কংগ্রেসের (Congress)। জয়রাম রমেশের অভিযোগ, বিরোধীদের অনড় অবস্থানের পাশাপাশি এনডিএ (NDA)-র শরিক দলগুলির একাংশের আপত্তিও সরকারের পরিকল্পনায় বাধা হয়ে দাঁড়ায়।

উল্লেখ্য, গত ১৭ এপ্রিল মহিলা সংরক্ষণ কার্যকর করার সঙ্গে সম্পর্কিত ডিলিমিটেশন সংক্রান্ত সংবিধান সংশোধনী বিল লোকসভায় (Lok Sabha) প্রয়োজনীয় সমর্থন পায়নি। এর পর থেকেই বিষয়টি নিয়ে রাজনৈতিক বিতর্ক জোরালো হয়েছে।

আলোচনার আগে তিনটি দাবি

ডিলিমিটেশন নিয়ে আলোচনার ক্ষেত্রে তিনটি শর্ত সামনে রেখেছে কংগ্রেস (Congress)। প্রথমত, মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের (Gyanesh Kumar) পদত্যাগ। দ্বিতীয়ত, ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন বা এসআইআর (Special Intensive Revision বা SIR) প্রক্রিয়া বন্ধ রাখা। তৃতীয়ত, দেশের নির্বাচন ব্যবস্থার উপর সাধারণ মানুষের আস্থা পুনরুদ্ধার করা।

নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়ে বিতর্ক

এদিকে, নির্বাচন কমিশন (Election Commission of India)-এর অন্দরে এসআইআর (SIR) সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত নিয়ে মতবিরোধের অভিযোগও সামনে এসেছে। একটি প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, গত ১০ মাসে নির্বাচন কমিশনার সুখবীর সিং সান্ধু (Sukhbir Singh Sandhu) এবং বিবেক জোশী (Vivek Joshi) এই সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত ও নির্দেশ নিয়ে অন্তত ১৪ বার লিখিত আপত্তি জানিয়েছিলেন।

যদিও নির্বাচন কমিশনের (Election Commission of India) বক্তব্য, কোনও প্রতিষ্ঠানের অভ্যন্তরে মতপার্থক্য থাকা অস্বাভাবিক নয়। তাদের দাবি, সমস্ত নির্দেশ আইন ও নির্ধারিত বিধি মেনেই জারি করা হয়েছে। ফলে ডিলিমিটেশন (Delimitation) এবং নির্বাচন কমিশনকে কেন্দ্র করে কেন্দ্র ও বিরোধীদের সংঘাত কোন দিকে এগোয়, এখন সেটাই দেখার।

আরও পড়ুন:

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

0FansLike
0FollowersFollow
0SubscribersSubscribe
- Advertisement -spot_img

আরও পড়ুন