কলকাতা: উপনির্বাচনের সকালেই আটক হয়েছেন আম জনতা উন্নয়ন পার্টির চিফ হুমায়ুন কবির (Humayun Kabir)! এদিন ভোটকেন্দ্রের দিকে যাওয়ার পথে পুলিশের সঙ্গে তীব্র বচসায় জড়িয়ে পড়েন তিনি। শেষ পর্যন্ত তাঁকে থানায় নিয়ে যায় পুলিশ এবং পরে তাঁর গ্রেপ্তারের কথা জানানো হয়। এই ঘটনাকে ঘিরে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক চাপানউতোর।
জানা গিয়েছে, দলীয় কার্যালয় থেকে বেরিয়ে ভোটকেন্দ্রের দিকে যাওয়ার সময় পুলিশ হুমায়ুনকে (Humayun Kabir) আটকানোর চেষ্টা করে। পুলিশের এই পদক্ষেপে ক্ষোভ প্রকাশ করেন তিনি। তাঁর অভিযোগ, পুলিশ পক্ষপাতমূলক আচরণ করছে। এরপর পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠলে পুলিশ তাঁকে থানায় নিয়ে যায়।
ঠিক কী কারণে তাঁকে আটক করা হল? পুলিশের বক্তব্য কী? এই প্রশ্নেই এখন সরগরম রেজিনগরের রাজনৈতিক মহল।
কেন গ্রেপ্তার হুমায়ুন?
মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) অবশ্য ঘটনার ব্যাখ্যায় নির্বাচনী বিধির প্রসঙ্গ টেনেছেন। নন্দীগ্রামে ভোট দিয়ে তাঁর দাবি, ভোটকেন্দ্রের নির্দিষ্ট পরিসরের মধ্যে অবাধে ঘোরাফেরা করার নিয়ম নেই। হুমায়ুন নওদার বিধায়ক হলেও রেজিনগর উপনির্বাচনের প্রার্থী নন, এই বিষয়টিও উল্লেখ করেন তিনি। শুভেন্দুর বক্তব্য, আইনের চোখে কেউ আলাদা নন। তাঁর মতে, নির্বাচনী বিধি ভাঙার অভিযোগেই পুলিশের পদক্ষেপ।
অন্যদিকে, হুমায়ুনের(Humayun Kabir) পক্ষ থেকে পুলিশের বিরুদ্ধে পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ তোলা হয়েছে। ফলে ভোটের দিনের এই ঘটনা এখন শুধুই একটি গ্রেপ্তারির ঘটনা নয়, বরং নির্বাচনী বিধি, পুলিশের ভূমিকা এবং রাজনৈতিক স্বাধীনতা নিয়ে নতুন বিতর্কের জন্ম দিয়েছে।
এখন প্রশ্ন একটাই, হুমায়ুন কবীরকে ঠিক কোন অভিযোগে গ্রেপ্তার করা হল, এবং এই ঘটনার পর রেজিনগরের ভোটের পরিবেশ কোন দিকে মোড় নেয়?


