Aaj India Desk, নয়াদিল্লি: নয়াদিল্লির কনস্টিটিউশন ক্লাবে আজ সকাল ১১টা থেকে ইন্ডিয়া জোটের (INDIA Alliance) বৈঠক শুরু হওয়ার কথা। তবে বৈঠক শুরুর আগেই জোটের শরিকদের মধ্যে কতটা সমন্বয় রয়েছে, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।
নির্বাচন কমিশন (ECI) এবং মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের (Gyanesh Kumar) বিরুদ্ধে বিরোধীদের একসঙ্গে আন্দোলনে নামার বিষয়টিই আজকের বৈঠকের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ আলোচ্য। বৈঠকে কংগ্রেসের শীর্ষ নেতৃত্বের পাশাপাশি থাকার কথা সনিয়া গান্ধি ও রাহুল গান্ধির। কলকাতা থেকে বৈঠকে যোগ দিতে দিল্লি পৌঁছেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee) এবং অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তৃণমূলের আরও তিন শীর্ষ নেতারও বৈঠকে থাকার কথা। শারীরিকভাবে উপস্থিত থাকতে না পারলেও ভার্চুয়ালি বৈঠকে যোগ দেবেন উদ্ধব ঠাকরে। বামফ্রন্টের শরিক দলগুলিও বৈঠকে উপস্থিত থাকবে বলে জানা গিয়েছে।
তবে জোটের সব শরিক যে বৈঠকে থাকছে, তা নয়। আগেই বৈঠক থেকে সরে দাঁড়ানোর কথা জানিয়েছে এম কে স্ট্যালিনের ডিএমকে এবং অরবিন্দ কেজরিওয়ালের আম আদমি পার্টি। ফলে কংগ্রেসের সঙ্গে এই দুই দলের দূরত্ব নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। সামনে পঞ্জাব বিধানসভা নির্বাচন। সেখানে আপ এবং কংগ্রেসের সরাসরি প্রতিদ্বন্দ্বিতা হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। অন্যদিকে, তামিলনাড়ুতে বিধানসভা নির্বাচনে পরাজয়ের পর ডিএমকে-র সঙ্গে সম্পর্ক ছেড়ে বিজয়ের দল টিভিকে-র সঙ্গে জোট করেছে কংগ্রেস।
বৈঠকে থাকছেন না সমাজবাদী পার্টির প্রধান অখিলেশ যাদবও। তবে তাঁর দলের একজন প্রতিনিধি বৈঠকে উপস্থিত থাকবেন। দলের এক শীর্ষ নেতার রাজ্যসভা নির্বাচনে মনোনয়নের কারণেই অখিলেশের অনুপস্থিতি বলে জানানো হয়েছে। যদিও রাজনৈতিক মহলে অন্য আলোচনাও রয়েছে। উত্তরপ্রদেশের বিধানসভা নির্বাচনে কংগ্রেসের তরফে ১৫০টি আসন চাওয়া নিয়ে অখিলেশ অসন্তুষ্ট বলেও জল্পনা রয়েছে।
এই পরিস্থিতিতে নির্বাচন কমিশন এবং জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে যৌথভাবে আন্দোলনে নামার বিষয়ে ইন্ডিয়া জোটের শরিকরা শেষ পর্যন্ত কতটা একমত হতে পারে, এখন সেদিকেই নজর।


