32 C
Kolkata
Thursday, September 10, 2026
spot_img

দিল্লির পর এবার গান্ধীনগর! নির্মীয়মাণ বহুতল ধসে বিপত্তি, ভিতরে ১০-১৫ শ্রমিক আটকে থাকার আশঙ্কা

Aaj India Desk, গান্ধীনগর: দিল্লিতে পিজি বিল্ডিং (Delhi PG Building) ধসের ঘটনার রেশ কাটতে না কাটতেই এবার গুজরাতের গান্ধীনগরে (Gandhinagar) নির্মীয়মাণ বহুতলের (Building Under Construction) একটি অংশ ভেঙে পড়ল। বুধবার সন্ধ্যায় রাজ্যের রাজধানীর কুদাসান এলাকায় এই ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়ায়। খবর পেয়েই ঘটনাস্থলে পৌঁছয় দমকল এবং উদ্ধারকারী দল (Rescue Team)। দ্রুত শুরু হয় উদ্ধারকাজ।

জানা গিয়েছে, ভবনের ওই অংশ ভেঙে পড়ার সময় সেখানে বেশ কয়েকজন শ্রমিক কাজ করছিলেন। দুর্ঘটনার পর প্রায় ১০ থেকে ১৫ জন শ্রমিক ধ্বংসস্তূপের নীচে আটকে থাকতে পারেন বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। এখনও পর্যন্ত চারজন শ্রমিককে উদ্ধার করা হয়েছে।

ধ্বংসস্তূপ সরিয়ে চলছে তল্লাশি

দমকলের একাধিক দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে ধ্বংসস্তূপ সরিয়ে শ্রমিকদের খোঁজ শুরু করেছে। কেউ এখনও ভিতরে আটকে রয়েছেন কি না, তা নিশ্চিত করতে চলছে জোরদার তল্লাশি। উদ্ধার হওয়া শ্রমিকদের শারীরিক অবস্থাও পরীক্ষা করা হচ্ছে।

কী কারণে নির্মীয়মাণ ভবনের অংশটি আচমকা ভেঙে পড়ল, তা এখনও স্পষ্ট নয়। দুর্ঘটনার কারণ খতিয়ে দেখছেন প্রশাসনের আধিকারিকরা। উদ্ধারকাজ শেষ হলে কতটা ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে এবং কেউ আহত বা নিখোঁজ রয়েছেন কি না, সে বিষয়ে আরও পরিষ্কার তথ্য পাওয়া যাবে বলে জানা গিয়েছে।

দিল্লির পিজি ধসের তদন্তে আরও দুই নাম

এরই মধ্যে দিল্লির পিজি বিল্ডিং ধসের তদন্তেও নতুন তথ্য সামনে এসেছে। পুলিশি জিজ্ঞাসাবাদে বাড়ির মালিক হরিরাম বনসলের ছেলে মহেশ বনসলের কাছ থেকে আরও দুই ব্যক্তির নাম পাওয়া গিয়েছে বলে জানা গিয়েছে।

পুলিশ সূত্রে খবর, মহেশ জানিয়েছেন, ২০২৫ সালের অগস্ট থেকে তিনি তাঁর দুই ব্যবসায়িক অংশীদার শুভম ত্যাগী ও সুধাংশুর কাছে ওই বাড়িটি লিজ দিয়েছিলেন। ‘হস্টেল ডেজ’ নামে ওই বাড়িতেই তাঁরা পিজি চালাচ্ছিলেন বলে জানা গিয়েছে। বুধবার দিল্লি পুলিশ জানিয়েছে, পিজি-র অপারেটর সুধাংশুকে গ্রেফতার করা হয়েছে। পুরো ঘটনার তদন্ত এখনও চলছে।

সত্য নিকেতনে কী ঘটেছিল?

দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ের সাউথ ক্যাম্পাসের কাছে সত্য নিকেতনে রবিবার দুপুরে ঘটে ভয়াবহ দুর্ঘটনা। প্রায় সাড়ে ১টার সময় একটি পাঁচতলা বাড়ির একাংশ আচমকা ভেঙে পড়ে। ওই বাড়িতে ছেলেদের পিজি চলত। জানা যায়, বাড়িটিতে মেরামতির কাজ চলছিল। সেই সময়ই আচমকা বাড়িটির একটি অংশ ধসে পড়ে। ঘটনায় এখনও পর্যন্ত সাতজনের মৃত্যু হয়েছে এবং পাঁচজন আহত হয়েছেন। প্রায় ২৭ ঘণ্টা ধরে চলে উদ্ধারকাজ।

আরও পড়ুন:

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

0FansLike
0FollowersFollow
0SubscribersSubscribe
- Advertisement -spot_img

আরও পড়ুন