কলকাতা: লরি থামিয়ে নিয়মিত টাকা তোলা (Money Extortion)! এমন অভিযোগ নতুন নয়। অতীতেও সোশ্যাল মিডিয়ায় বহু ট্রাকচালক পুলিশের বিরুদ্ধে ‘তোলা’ আদায়ের ভিডিও প্রকাশ করেছিলেন। তবে এবার সেই অভিযোগেই বড় পদক্ষেপ নিল কলকাতা পুলিশ (Kolkata police)।
কী অভিযোগ?
অভিযোগ, ভাঙড়ের ঘটকপুকুর মোড়ে নিয়মিত পণ্যবাহী গাড়ি থামিয়ে চালকদের কাছ থেকে টাকা আদায় (Money Extortion) করা হচ্ছিল। রাজ্য সরকারের উচ্চপর্যায়ে অভিযোগ পৌঁছনোর পর তদন্ত শুরু করে ভাঙড় ট্রাফিক পুলিশ গার্ড।
প্রাথমিক তদন্তে তিনজনের নাম উঠে আসে—
- সার্জেন্ট নুরুল ইসলাম মোল্লা
- কনস্টেবল শিবনন্দন ঠাকুর
- সিভিক ভলান্টিয়ার আলি হাসান মোল্লা
তাঁদের বিরুদ্ধে ‘তোলা’ আদায়ের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগ রয়েছে।
তারপরই কড়া অ্যাকশন
তদন্তের প্রাথমিক রিপোর্টের ভিত্তিতে সার্জেন্ট নুরুল ইসলাম মোল্লা ও কনস্টেবল শিবনন্দন ঠাকুরকে সাসপেন্ড করা হয়েছে। একইসঙ্গে সিভিক ভলান্টিয়ার আলি হাসান মোল্লাকে ডিমোবিলাইজ করেছে কলকাতা পুলিশ (Kolkata police)। পুলিশের এক সিনিয়র আধিকারিক জানিয়েছেন, অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে নিয়ম মেনে বিভাগীয় তদন্তও শুরু হয়েছে।
প্রশ্নের মুখে পুরনো অভিযোগ
বলা বাহুল্য, লরি থেকে পুলিশের ‘তোলা’ (Money Extortion) আদায়ের অভিযোগ বহুদিনের। ট্রাকচালকদের পোস্ট করা একাধিক ভিডিও অতীতে ভাইরাল হলেও, সেগুলিতে দৃশ্যমান পদক্ষেপ খুব কমই দেখা গিয়েছিল। এবার সেই একই ধরনের অভিযোগে সরাসরি সাসপেনশন ও বিভাগীয় তদন্ত শুরু হওয়ায় ঘটনাটি নতুন করে আলোচনায়।


