স্নেহা পাল, কলকাতা: কয়লা পাচার মামলায় গত ৮ জানুয়ারি ইডি আইপ্যাক প্রধান প্রতীক জৈনের বাড়ি ও অফিসে তল্লাশি চালায়। আজই সুপ্রিম কোর্টে সেই I-Pac মামলার শুনানি হওয়ার কথা। তার আগেই আবার অভিযানে নেমেছে ED।
মঙ্গলবার ভোরের আলো ফোটার আগেই কেন্দ্রীয় বাহিনী নিয়ে একের পর এক বাড়ির দরজায় পৌঁছে যান এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটের আধিকারিকরা। কয়লা ও বালি পাচার মামলার তদন্তের সূত্র ধরেই ফের শুরু হয়েছে এই তল্লাশি।রাজ্য জুড়ে শিল্পাঞ্চল দুর্গাপুর, আসানসোল, রানীগঞ্জ থেকে শুরু করে কলকাতা পর্যন্ত মোট ৯ জায়গায় একযোগে শুরু হয় ইডির অভিযান।
পশ্চিম বর্ধমান জেলার নবগ্রাম এলাকায় প্রথম অভিযান শুরু হয়। ইস্টার্ন কোলফিল্ডস লিমিটেড (ECL)-এর কয়লা বেআইনিভাবে উত্তোলন ও পাচারের অভিযোগ খতিয়ে দেখতে প্রায় ২৫-৩০ জন আধিকারিক এবং কেন্দ্রীয় নিরাপত্তা বাহিনী নিয়ে তল্লাশি চালানো হয়।
দুর্গাপুর ও পাণ্ডবেশ্বর এলাকাতেও একাধিক জায়গায় অভিযান চলছে। দুর্গাপুরে বালি মাফিয়া হিসেবে পরিচিত প্রবীর দত্তের বাড়িতেও হানা দেন ED আধিকারিকরা। দীর্ঘদিন ধরে বালির কারবারের সঙ্গে যুক্ত থাকার অভিযোগ রয়েছে তাঁর বিরুদ্ধে। জানা গিয়েছে, আগে পানাগড়ে থাকলেও দুই বছর আগে দুর্গাপুরে একটি বিলাসবহুল বাড়ি তৈরি করে সেখানে বসবাস শুরু করেন তিনি। সম্প্রতি তাঁর দুবাই সফরের তথ্যও তদন্তকারীদের নজরে এসেছে।
ভোরবেলায় ইডির তিন সদস্যের একটি দল প্রবীর দত্তের বাড়িতে তল্লাশি শুরু করে। সূত্রের দাবি, প্রথমে ইডি আধিকারিকদের বাড়িতে ঢুকতে বাধা দেওয়া হয়। পরে কেন্দ্রীয় বাহিনীর সাহায্যে ভিতরে প্রবেশ করা হয়। বালি কারবারের সঙ্গে তাঁর আর কী কী সংযোগ রয়েছে এবং সেই নেটওয়ার্ক কতটা বিস্তৃত, তা খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা। তাঁর ভাইয়ের বাড়িতেও তল্লাশি চালানো হয়েছে।


