কলকাতা: এক সপ্তাহ আগে আনন্দপুরের নাজিরাবাদের ভয়াবহ অগ্নিকান্ডের (Anandapur Fire) দুঃস্বপ্নের ঘোর এখনও কাটেনি শহরবাসীর। এই আবহেই রাজ্য প্রশাসনের নাকের ডগায় দ্বিতীয় আনন্দপুর তৈরি হচ্ছে বলে সমাজমাধ্যমে তোপ দাগলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)।
X link: https://x.com/SuvenduWB/status/2018179427436581269
এক্সে একটি ভিডিও পোস্ট করে শুভেন্দুর অভিযোগ, “রাতের অন্ধকারে ভাঙড়ের বিজয়গঞ্জ বাজারের মুখে প্রকাশ্যে চলছে জলাশয় ভরাটের কাজ”। “দক্ষিণ ২৪ পরগণার এই বিধাল জলাশয়টি হাসপাতাল ও স্বাস্থ্য দফতরের নামে নথিভুক্ত সম্পত্তি হলেও প্রশাসনের নীরবতায় নির্বিঘ্নে ধ্বংস হচ্ছে জলসম্পদ”, বলে তোপ দাগেন বিরোধী দলনেতা (Suvendu Adhikari)। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে “তৃণমূলের হাতে রক্তের দাগ লেগে আছে” এবং “এটা সরকার নয়, মাফিয়া রাজ” বলে তুলোধোনা করেন শুভেন্দু।
শুভেন্দু আরও বলেন, “আনন্দপুরের মতোই ভাঙড়ে সরকারি অনুমতি ছাড়া বেআইনি নির্মাণ ও জলাশয় ভরাট চলছে, যার ভিত্তিতেই তৈরি হচ্ছে অবৈধ গুদামঘর। সেখানে কোনও প্রশাসনিক তদারকি নেই, লাইসেন্স নেই, অনুমতি নেই। আনন্দপুরে ঠিক এমন অবহেলার ফলেই ভয়ঙ্কর আগুনে বহু দরিদ্র শ্রমিক নিহত হন”।
জলাশয় ভরাট নিয়ে সরব বিরোধীরা
বস্তুত, গত ২৫ জানুয়ারি গভীর রাতে আনন্দপুরের নাজিরাবাদে জোড়া কারখানায় ভয়াবহ অগ্নিকান্ডে (Anandapur Fire) মৃতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে প্রায় ২৭। ঘটনায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee) সহ দমকলমন্ত্রী, নগরোন্নয়ন মন্ত্রীর ভূমিকা নিয়ে সুর চড়িয়েছে বিরোধীরা। প্রতিবাদে শুভেন্দু অধিকারীর (Suvendu Adhikari) নেতৃত্বে বিক্ষোভ মিছিল করে বিজেপি।
পাশাপাশি, সিপিআইএম কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য সুজন চক্রবর্তী (Sujan Chakraborty) ‘চক্রান্তের’ ইঙ্গিত দেন। তাঁর অভিযোগ, ইস্টার্ন মেট্রোপলিটান বাইপাসের পাশের জলাভূমি গুলো ২০১১ সাল পর্যন্ত ফাঁকা ছিল। কিন্তু এখন সব বেআইনিভাবে বুজিয়ে ফেলা হচ্ছে, বিক্রি করা হচ্ছে। সেসিব টাকা “এঘাট ওঘাট ঘুরে কালীঘাট পর্যন্ত যাচ্ছে” বলে কটাক্ষ করেছিলেন তিনি।


