Aaj India desk, নয়া দিল্লি: neet প্রশ্ন ফাঁসের প্রতিবাদে এবং কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগ চেয়ে আন্দোলন করছে কক্রচ জনতা পার্টি (CJP)। আজ ছিল তাদের সংসদ অভিযান। তাদের এই অভিযানকে ছত্রভঙ্গ করতে মরিয়া কেন্দ্র।গতকাল থেকেই দিল্লী পুলিশ সমগ্র জায়গাটিকে ১৬৩ ধারা জারি করে দিয়েছে। আজ সকালেও পাঁচটি মেট্রো স্টেশন বন্ধ করে দেওয়া হয়। পাশাপাশি লাঠিচার্জ করে মিছিলকে ছত্রভঙ্গ করে দেওয়ার চেষ্টা চলে। এতকিছুর পরেও দমানো যায়নি আরশোলাদের।
আন্দোলন দমন করতে আর কি কি করল সরকার?
লাঠিচার্জ করার পরেও কক্রচ জনতা পার্টি (CJP)তাদের কর্মসূচি থেকে কিছু হটেনি। ভারী বৃষ্টির মধ্যেই হাজার হাজার আন্দোলনকারীরা এগিয়ে যান সংসদের দিকে। তাঁদের আটকাতে সমস্ত জায়গাটি ব্যারিকেড দিয়ে ঘিরে রাখা হয়। ব্যারিকেড ভেঙে সংসদের দিকে এগোনোর চেষ্টা করলে পুলিশ ও র্যাপিড অ্যাকশন ফোর্স (RAF) আন্দোলনকারীদের ওপর কাঁদানে গ্যাসের শেল ফাটায়। মিছিল ছত্রভঙ্গ করতে জলকামানও রাখা হয়েছিল।ব্যারিকেড ভাঙার চেষ্টার সময় পুলিশ ও বিক্ষোভকারীদের মধ্যে ধস্তাধস্তি হয়। বেশ কয়েকজন আন্দোলনকারীকে পুলিশ আটক করে।
শেষ পর্যন্ত সরকার কি ব্যবস্থা নিল?
কক্রচ জনতা পার্টির (CJP)তরফ থেকে সরকারের সাথে কথা বলতে চাওয়া হয়েছিল। শেষ পর্যন্ত সরকার সেই দাবি মেনে নেয়। কক্রচ জনতা পার্টির (CJP) দুই মুখপাত্র সৌরভ দাস ও আশুতোষ রাঙ্কা এই মুহূর্তে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জেপি নড্ডার সাথে বৈঠকে বসেছেন। সরকারের সাথে আলোচনার বার্তা মেলায় যন্তর মন্তরে আন্দোলনরত CJP প্রধান অভিজিৎ দীপকে এবং অনশনরত অন্যান্য ছাত্রনেতারা নিজেদের অনশন আনুষ্ঠানিকভাবে প্রত্যাহার করে নিয়েছেন। লাঠিচার্জ ও কাঁদানে গ্যাসের পর রাস্তা থেকে বড় মিছিলগুলোকে ছত্রভঙ্গ করা সম্ভব হলেও, যন্তর মন্তর চত্বরে এখনও হাজার হাজার ছাত্র ও সাধারণ মানুষের ভিড় রয়েছে।


