নয়াদিল্লি: বাদল অধিবেশনের (Parliament monsoon session) সূচনালগ্নেই সংসদে ধুন্ধুমার! রবিবার অনুষ্ঠিত সর্বদল বৈঠকে নতুন এনসিপিআই (NCPI) সাংসদদের স্বাগত জানানোর ঘটনাকে কেন্দ্র করে তৃণমূল কংগ্রেস-সহ ইন্ডিয়া জোটের একাধিক দলের সাংসদরা বৈঠক থেকে ওয়াকআউট করেন।
সূত্রের খবর, বৈঠক শুরু হতেই এনসিপিআই (NCPI) প্রতিনিধিদের উপস্থিতি নিয়ে আপত্তি তোলেন বিরোধী সাংসদরা। তাঁদের দাবি, এনসিপিআইকে পৃথক দল হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়ার বিষয়ে এখনও লোকসভার স্পিকারের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি। সেই পরিস্থিতিতে সর্বদল বৈঠকে দলটির প্রতিনিধিদের আমন্ত্রণ জানানোর যৌক্তিকতা নিয়েই প্রশ্ন তোলেন তাঁরা।
ওয়াকআউট করা সাংসদদের মধ্যে ছিলেন তৃণমূল কংগ্রেসের মহুয়া মৈত্র ও সৌগত রায়। তাঁদের সঙ্গে বৈঠক ছেড়ে বেরিয়ে যান কংগ্রেস, সমাজবাদী পার্টি, সিপিআই, ডিএমকে, শিবসেনা (উদ্ধব ঠাকরে শিবির)-সহ ইন্ডিয়া জোটের বিভিন্ন দলের প্রতিনিধিরাও।
এনসিপিআইকে আমন্ত্রণ জানানো নিয়ে বিরোধীদের আপত্তির কথা সোশ্যাল মিডিয়াতেও তুলে ধরেন কংগ্রেসের রাজ্যসভার সাংসদ জয়রাম রমেশ। তাঁর পোস্টে দাবি করা হয়, স্পিকারের আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতির আগে এনসিপিআইকে (NCPI) সর্বদল বৈঠকে ডাকা সংসদীয় রীতিনীতির সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। সেই পোস্টই শেয়ার করেন তৃণমূল কংগ্রেসের রাজ্যসভার সাংসদ ডেরেক ও’ব্রায়েন।
প্রসঙ্গত, মমতার হাত থেকে ক্ষমতা যেতেই কয়েক মাস আগে সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়, শতাব্দী রায়, কাকলি ঘোষ দস্তিদার সহ ২০ জন বিদ্রোহী তৃণমূল সাংসদ ত্রিপুরার একটি এনডিএ শরীক দল এনসিপিআই (NCPI) বা ন্যাশনাল সিটিজেন্স পার্টি অফ ইন্ডিয়ায় যোগ দেন। তাঁরা এনসিপিআই-তে যোগ দিয়ে এনডিএ-কে সমর্থনের কথা স্পিকার ওম বিড়লাকে জানান এবং পৃথক দলের স্বীকৃতি চান।
বাদল অধিবেশনের (Parliament monsoon session) আগে তাঁদের সর্বদল বৈঠকে আমন্ত্রণ জানালেও এখনও এনসিপিআইকে আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি দেননি স্পিকার। তবে সংসদের প্রকাশিত আসন-বিন্যাসে তৃণমূলের ২৮ জন সাংসদের পাশাপাশি এনসিপিআই (NCPI)-র ২০ জন সাংসদের জন্য আলাদা আসনের ব্যবস্থা করা হয়েছে।


