কলকাতা: জল্পনায় সিলমোহর। অবশেষে ঋতব্রতের ‘আসল তৃণমূলেই’ বনগাঁ উত্তরের প্রাক্তন বিধায়ক তথা বনগাঁ সাংগঠনিক জেলার সভাপতি বিশ্বজিৎ দাস (Biswajit Das)। একইসঙ্গে রাজারহাট-নিউটাউনের প্রাক্তন বিধায়ক এবং বারাসত সাংগঠনিক জেলার সভাপতি তাপস চট্টোপাধ্যায়ও (Tapas Chatterjee) ঋতব্রত শিবিরে যোগ দিলেন। বিধানসভায় বিরোধী দলনেতার ঘরে গিয়ে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় ও আখরুজ্জামান আনসারির সঙ্গে বৈঠকের পর তাঁদের যোগদানের কথা সামনে আসে।
বিশ্বজিৎ দাসের (Biswajit Das) রাজনৈতিক জীবনে দলবদলের ইতিহাস নতুন নয়। ২০১১ এবং ২০১৬ সালে বনগাঁ উত্তরের তৃণমূল বিধায়ক ছিলেন তিনি। পরে ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনের আগে তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দেন এবং বাগদা কেন্দ্র থেকে গেরুয়া শিবিরের প্রার্থী হিসেবে জয়ী হন। তবে সেই বছরই বিজেপির সঙ্গে দূরত্ব তৈরি হওয়ায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে দেখা করে ফের তৃণমূলে ফেরার আবেদন জানান। তৃণমূল নেতৃত্বও তাঁকে (Biswajit Das) দলে ফিরিয়ে নিয়ে বনগাঁ সাংগঠনিক জেলার সভাপতির দায়িত্ব দেয়।
তবে এবার ফের রাজনৈতিক সমীকরণ বদলে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের শিবিরে যোগ দিলেন বিশ্বজিৎ। তাঁর সঙ্গে তাপস চট্টোপাধ্যায়ের (Tapas Chatterjee) যোগদানও তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল। একুশে জুলাইয়ের কর্মসূচির আগে এই দুই নেতার যোগদান ‘আসল’ তৃণমূলের শক্তি আরও বাড়াবে বলেই দাবি শিবিরের নেতাদের। বলা বাহুল্য, ক্ষমতার পালাবদলের হতেই মমতার সঙ্গ ছাড়ার হিড়িক পড়ে গিয়েছে। বিধায়ক, লোকসভা, রাজ্যসভা সব জায়গা থেকেই সৈনিক খোয়াচ্ছেন নেত্রী। সেই ক্ষোভে একুশে জুলাইয়ের আগে যাঁদের যাওয়ার ‘লোটাকম্বল নিয়ে চলে যান’ বলেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এখন দেখার আর কতজন এই পথ অনুসরণ করেন।


