Aaj India Desk, দক্ষিণ ২৪ পরগনা : সূর্যপুরের নাবালিকা ধর্ষণ ও খুনের ঘটনার অভিঘাত এখনও কাটেনি। সেই ঘটনার রেশের মধ্যেই ফের বারুইপুরেই (Baruipur) উঠে এসেছে এক নাবালিকাকে খাবারের প্রলোভন দেখিয়ে নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ। স্থানীয়দের তৎপরতায় সম্ভাব্য বড় অপরাধের আগেই আটক করা হয় অভিযুক্ত যুবককে। পরে তাকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। যৌন নির্যাতনের চেষ্টার অভিযোগে ইতিমধ্যেই শুরু হয়েছে তদন্ত।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, উদ্ধার হওয়া নাবালিকার বয়স আনুমানিক ১২-১৩ বছর। অন্যদিকে ধৃত ৩৭ বছর বয়সী যুবকের বাড়ি মথুরাপুর এলাকায়। তিনি পেশায় মুরগির ব্যবসায়ী। প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, শিয়ালদহ স্টেশন থেকে খাবারের লোভ দেখিয়ে ওই নাবালিকাকে বারুইপুরের শাসন এলাকায় নিয়ে আসে অভিযুক্ত।স্থানীয় এক বাসিন্দার কাছে ঘর ভাড়া চাইতে গেলে যুবকের সঙ্গে থাকা নাবালিকাকে দেখে সন্দেহ হয়। এরপর স্থানীয়রা দু’জনকে আটকে রেখে পুলিশে খবর দেন।
স্থানীয় বিজেপি কর্মী তাপস দেবনাথ জানান, স্থানীয় বাসিন্দারাই প্রথম তাঁর সঙ্গে যোগাযোগ করেন। তিনি বলেন, “আমি বলি, কাউকে মারধর করবেন না। থানায় খবর দিন। পরে আমিও লিখিত অভিযোগ করি।”
নাবালিকার তরফে জানানো হয়, তার বাড়ি ব্যারাকপুর এলাকায়। পরিবারের সঙ্গে ঝগড়া করে সে শিয়ালদহ স্টেশনে চলে এসেছিল। সেখান থেকেই অভিযুক্ত যুবক তাকে খাবারের প্রলোভন দিয়ে বারুইপুরে (Baruipur) নিয়ে আসে বলে প্রাথমিক তদন্তে উঠে এসেছে। অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। নাবালিকাকে উদ্ধার করে পরিবারের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে। যৌন নির্যাতনের অভিযোগে মামলা রুজু করে ঘটনার সমস্ত দিক খতিয়ে দেখছে পুলিশ।
সম্প্রতি বারুইপুরের (Baruipur) সূর্যপুরে এক নাবালিকাকে ধর্ষণ ও খুনের ঘটনায় রাজ্যজুড়ে তীব্র আলোড়ন সৃষ্টি হয়েছিল। সেই ঘটনার পর আবারও বারুইপুর মহকুমায় নাবালিকাকে কেন্দ্র করে এমন অভিযোগ সামনে আসায় স্থানীয়দের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। তবে বর্তমান ঘটনাটি পৃথক মামলা এবং এর তদন্ত গুরুত্ব দিয়েই করা হচ্ছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।


