কলকাতা: স্বামী মালদা উত্তরের বিজেপি সাংসদ খগেন মুর্মু (Khagen Murmu)। তাঁর প্রথম স্ত্রী অরুণা মার্ডির (Aruna Mardi) হাতে তৃণমূলের দলীয় পতাকা। বিধানসভা নির্বাচনের আগে দল-পরিবর্তন অস্বাভাবিক নয়। প্রশ্ন হল, ২০২৬-এ উত্তরবঙ্গে বিজেপির ফলাফল আঁচ করেই কি স্ত্রীকে এগিয়ে দিয়ে রাস্তা খোলা রাখলেন বিজেপি সাংসদ খগেন মুর্মু?
বুধবার কলকাতার তৃণমূল কংগ্রেস ভবনে শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু ও বনমন্ত্রী বিরবাহা হাঁসদার কাছ থেকে তৃণমূলের দলীয় পতাকা হাতে তুলে নেন অরুণা মার্ডি। আদিবাসী মহিলাদের উন্নয়নের জন্য কাজ করতে ইচ্ছুল বলে স্বামীর দলে না গিয়ে তৃণমূলে যোগ দিয়েছেন বলে জানিয়েছেন তিনি।
শুধু তাই নয়, “যদি কখনও মনের ইচ্ছা হয়, তাহলে খগেনও (Khagen Murmu) দলবদল করতে পারেন”, বলেও জানিয়েছেন অরুণা। সদ্য তৃণমূলে যোগ দেওয়া বিজেপি সাংসদের স্ত্রী অরুণা মার্ডি (Aruna Mardi) বলেন, “দিদির কাজ ভালো লাগে। তাই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ছত্রছায়ায় কাজ করার জন্য আমি তৃণমূলে যোগ দিয়েছি।”
উল্লেখ্য, এতদিন কোনও দায়িত্বে না থাকলেও সিপিএমের হয়ে কাজ করেছেন বলে জানিয়েছেন অরুণা মার্ডি। আদিবাসী ও অনগ্রসর উপজাতির মানুষদের জন্য কাজ করার ইচ্ছা থেকেই তৃণমূলে যোগ দিয়েছেন বলে জানিয়েছেন তিনিও।
“এক সংসারে থেকেও…”
বলা বাহুল্য, একসময় খগেন মুর্মু (Khagen Murmu) এবং অরুণা মার্ডি দুজনই বামপন্থী ছিলেন। সিপিএম ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দিয়ে মালদা উত্তরের বিজেপি সাংসদ হন খগেন। বুধবার তৃণমূলে যোগ দিয়ে তাঁর প্রথম স্ত্রী অরুণা মার্ডি (Aruna Mardi) জানান, একই পরিবারের দুজনের আলাদা রাজনৈতিক মতাদর্শ থাক্তেই পারে। “উনি বিজেপিতে গেছেন, ঠিক আছে। আমার মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাজ ভালো লাগে। তাই আমি আমার ইচ্ছেমত কাজ করব। যদি কখনও মনের ইচ্ছা হয়, তাহলে খগেনও দলবদল করতে পারেন”।


