Aaj India desk, কলকাতা: একজন সময়ের আগেই পৌঁছে গেছিলেন ভবানী ভবনে। অন্যজন নিজে আইসক্রিম খেয়ে, ঘোড়াকে খাইয়ে হালকা মেজাজে ঢুকেছিলেন। প্রথমজন অর্থাৎ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় ৭ ঘণ্টা পেরিয়ে গেলেও মুক্তি পান নি। তবে দ্বিতীয়জন অর্থাৎ কুনাল ঘোষ (kunal ghosh)ছাড়া পেয়েছেন চার ঘন্টার মধ্যেই। শোনা যাচ্ছে মুখোমুখি বসিয়ে দুজনকে জেরা করা হয়েছিল। উনার সেখানে সহযোগিতা করেছেন বলেই খবর। কিন্তু অভিষেকের মুক্তি এখনই হবে না বলেই খবর।
কি জানালেন কুণাল?
বিধানসভার বিতর্কিত সই-জালিয়াতি মামলায় আজ ভবানী ভবনে ডাক পড়েছিল তৃণমূলের দুই শীর্ষ নেতার। চার ঘন্টার ম্যারাথন জেরার পরে বেরিয়ে কুণাল (kunal ghosh) জানান, “আমার তরফ থেকে তদন্তকারীদের সম্পূর্ণ সহযোগিতা করেছি। আমি নিজের সই নিজেই করেছি। রেজিউলেশন বুক সম্পর্কে আমি কিছু জানি না।এটাই আমি জানিয়েছি। আমাকে এবং অভিষেককে মুখোমুখি বসিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে। কালীঘাটে গিয়ে বাকি কথা বলব।” অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের দীর্ঘক্ষণ ধরে চলতে থাকা জেরা প্রসঙ্গে কুণাল বলেন, তদন্তের ওই বিষয়টি অভিষেক নিজেই সামলাচ্ছেন, তাই এ নিয়ে তিনি বাইরে কোনো মন্তব্য করবেন না।
গত মে মাসে বিধানসভার বিরোধী দলনেতা নির্বাচন সংক্রান্ত একটি রেজলিউশন বই বা প্রস্তাবপত্র বিধানসভা সচিবালয়ে জমা দেওয়া হয়। দাবি করা হয়, সেখানে ৭০ জন তৃণমূল বিধায়কের স্বাক্ষর রয়েছে। তৃণমূলেরই দুই বিধায়ক ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় এবং সন্দীপন সাহা স্পিকারের কাছে অভিযোগ করেন যে ওই ধরনের কোনো প্রস্তাব বৈঠকে গৃহীত হয়নি এবং জমা দেওয়া নথিতে একাধিক সই জাল বা ব্লক লেটারে করা। এই মামলাতেই অভিষেক এবং কুণালকে (kunal ghosh) সিআইডি মুখোমুখি বসিয়ে আজ জেরা করল। কুণাল মুক্তি পেলেও অভিষেক কি আজ মুক্তি পাবেন আদৌ? উঠছে প্রশ্ন।


