Aaj India Desk,কলকাতা : যাদবপুরের সিপিএম (CPM) কর্মীদের দাবি,”এই ইউএসপিটাই শেষ ভরসা। বুদ্ধবাবুর ইমেজ অস্বীকার করা যায় না কর্মসংস্থানের জন্য তিনি লড়েছেন। এখনকার অন্যান্য রাজনীতিকরা কি সত্যিই সেটাই করতে পারছেন? আমরা যাদবপুরবাসীকে সেই কথাই মনে করিয়ে দিচ্ছি।”
১৫ বছর আগে যাদবপুরের ভোটে হেরে গিয়েছিলেন তিনি, সঙ্গে ১৬ হাজারেরও বেশি ভোটের ব্যবধান। চিরচেনা ওই এলাকা ফিরলো খালি হাতে। সেই হতাশা পেছনে ফেলে আর নির্বাচনী মাঠে নামেননি বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য। কিন্তু এবার প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীর ছবি যেন ফের এসেছে যাদবপুরের অলিগলিতে। সিপিএমের অভ্যন্তরীণ ফিসফাস,”ভোটের দাঙ্গা পেরোবার একমাত্র ভরসা পরলোকগত কমরেডই।”
দুহাজার ছাব্বিশের চৈত্রে লাল পতাকা লাগানো প্রচার গাড়ি ঘুরছে কলোনির অলিগলিতে। আসন্ন বিধানসভা ভোটের আগুনে মাইক বাজাচ্ছে পুরনো রেকর্ড: “এ লড়াই লড়তে হবে। এ লড়াই জিততে হবে..।” কিন্তু জিজ্ঞেস করছে সাধারণ মানুষ, “লড়ছেটা আসলে কে?”প্রকৃতপক্ষে, যিনি কাস্তে-হাতুড়ি-তারা চিহ্নে লড়ছেন, সেই বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্যর ছবি যাদবপুরে তেমন চোখে পড়ে না। কারণও রয়েছে স্পষ্ট। প্রথম দফার প্রচারে একাধিক জায়গায় প্রশ্নের মুখে পড়েছেন তিনি। আড়ালে মানুষ ডাকছেন চাকরিখেকো নামে। সম্প্রতি নয়াবাদে তার পথসভা ভেস্তে যাওয়াও সেই বিতর্কেরই অংশ।
আইনজীবী বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্যর(Bikash Ranjan Bhattacharya)মামলার কারণে ২০২৪ সালের ২২ এপ্রিল কলকাতা হাই কোর্ট বাংলার ২৬ হাজার শিক্ষকের চাকরি বাতিলের নির্দেশ দিয়েছিল। প্যানেলের সবাই কিন্তু অযোগ্য ছিলেন না। সেই ঘটনায় ভোট প্রচারে বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্য কটূক্তি এবং সমালোচনার মুখে পড়ছেন।


