কলকাতা: হায়দরাবাদ–দিল্লি নয়, কেন কলকাতা? আইপ্যাক (I-pac) তল্লাশি নিয়ে ইডিকে একহাত নিলেন অভিষেক (Abhishek Banerjee)। ৮ জানুয়ারি আইপ্যাকের অফিস ও কর্ণধার প্রতীক জৈনের বাড়িতে ইডির তল্লাশি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের অঙ্গুলিহেলনে হয়েছে বলে তোপ দেগে আসছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সহ তৃণমূল।
এবার আইপ্যাকের তিনজন ডিরেক্টর থাকা সত্ত্বেও কলকাতাতে থাকা ডিরেক্টরই কেন টার্গেট? বলে প্রশ্ন ছোঁড়েন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় (Abhishek Banerjee)। সোমবার কলকাতার মিলনমেলা প্রাঙ্গনে ডিজিটাল কনক্লেভে এই প্রথম আইপ্যাক কান্ড নিয়ে মুখ খুললেন তিনি। সেইসঙ্গে মমতার মত “তথ্য চুরি”-র অভিযোগও তুললেন অভিষেক।
কলকাতার ডিরেক্টরই কেন টার্গেট? প্রশ্ন অভিষেকের
তাঁর দাবি, আইপ্যাকের তিনজন ডিরেক্টরের মধ্যে একজন কলকাতায়, একজন হায়দরাবাদে ও একজন দিল্লিতে থাকলেও কেন শুধুমাত্র কলকাতায় তল্লাশি চালাল ইডি। অভিষেকের প্রশ্ন, যদি ডিরেক্টরের বাড়িতে তল্লাশি হয়ে থাকে, তা হলে দফতরে যাওয়ার প্রয়োজনই বা কেন পড়ল।
বস্তুত, শাসকদলের রাজনৈতিক পরামর্শদাতা সংস্থা আইপ্যাকে (I-pac) তল্লাশি অভিযানের পেছনে দলের গোপন তথ্য হাতানোর অভিসন্ধি রয়েছে বলে দাবী ঘাসফুল শিবিরের। ৮ জানুয়ারি প্রতীক জৈনের বাড়ি থেকে একটি সবুজ ফাইল ও ল্যাপটপ নিয়ে বেরিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee) বলেছিলেন, ইডি তাঁদের প্রার্থীদের নাম, দলের পরিকল্পনা, গোপন তথ্য হাতাতে চায়। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর নির্দেশেই এইসব হচ্ছে।
পাশাপাশি, শুক্রবার নদিয়ার তাহেরপুরের সভা থেকে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় (Abhishek Banerjee) বলেছিলেন, এসআইআর আবহে মানুষকে সহায়তা করার জন্য ‘দিদির দূত’ নামক একটি অ্যাপ তৈরি করেছে আইপ্যাক। সাধারণ মানুষের সাহায্য করাকেই অপরাধ হিসেবে দেখানো হচ্ছে বলে দাবি করেন তিনি। অভিষেকের অভিযোগ, নির্বাচন কমিশনকে ব্যবহার করে মানুষের অধিকার কেড়ে নেওয়া হচ্ছে এবং ইডিকে সামনে রেখে গণতন্ত্রের কণ্ঠরোধ করা হচ্ছে, যদিও শেষ পর্যন্ত মানুষের সমর্থন তৃণমূলের পাশেই রয়েছে।


