Aaj India Desk, কলকাতা: চার মাসের সংশোধন প্রক্রিয়ার পর ২৮ ফেব্রুয়ারি বিকেলে প্রকাশিত চূড়ান্ত ভোটার তালিকা (Final Voter List) ঘিরে নতুন বিতর্ক শুরু হয়েছে। সংশোধন শুরুর আগেই ৬৩ লক্ষাধিক ভোটারের নাম বাদ পড়েছে বলে জানা গিয়েছে। অভিযোগ উঠেছে, একাধিক জনপ্রতিনিধির নামের পাশেও ‘ডিলিটেড’ বা ‘আন্ডার ট্রায়াল/অ্যাডজুডিকেশন’ লেখা রয়েছে। এই নিয়ে নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে সরব হয়েছে শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেস।
তৃণমূলের তরফে সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রশ্ন তোলা হয়েছে, খসড়া তালিকার পর চূড়ান্ত তালিকাতে (Final Voter List) ও বৈধ ভোটারদের নাম বাদ পড়ল কীভাবে। তাদের অভিযোগ, এটি পরিকল্পিতভাবে করা হয়েছে।
কাউন্সিলরের নাম ‘ডিলিটেড’
সূত্রের দাবি, নৈহাটির ৪ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর সুশান্ত সরকার এবং তাঁর মা আরতি সরকারের নামের পাশে ‘ডিলিটেড’ লেখা হয়েছে। সুশান্ত সরকারের বক্তব্য, শুনানিতে ডাকা হলে তিনি প্রয়োজনীয় নথি জমা দেন। তবুও চূড়ান্ত তালিকায় তাঁদের নাম বাদ পড়েছে। তিনি এটিকে রাজনৈতিক ষড়যন্ত্র বলে অভিযোগ করেছেন। বিধায়ক রফিকুর রহমানের নামের পাশেও লেখা রয়েছে ‘আন্ডার ট্রায়াল’। একইভাবে প্রাক্তন সাংসদ ডা. তরুণ মণ্ডল ও তাঁর স্ত্রী ডা. মহুয়া নন্দা মণ্ডলের নামও ‘আন্ডার ট্রায়াল’ তালিকায় রয়েছে। যদিও তাঁরা শুনানিতে নথি জমা দিয়েছেন বলে দাবি। মুখ্যমন্ত্রীর বিধানসভা কেন্দ্র ভবানীপুরে একাধিক জীবিত ভোটারের নামের পাশে ‘ডিলিটেড’ লেখা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। কিছু ক্ষেত্রে মৃত ভোটারের নাম তালিকায় রয়ে যাওয়ার অভিযোগও সামনে এসেছে।
কমিশনের অচল অবস্থান
নির্বাচন কমিশনের তরফে জানানো হয়েছে, কারও নাম বাদ পড়ে থাকলে বা আপত্তি থাকলে আইন অনুযায়ী তা চ্যালেঞ্জ করার সুযোগ রয়েছে। খসড়া তালিকা প্রকাশের পর থেকেই একাধিক অভিযোগ উঠেছিল। চূড়ান্ত তালিকা (Final Voter List) প্রকাশের পর নতুন করে বিতর্ক তীব্র হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে রাজনৈতিক তরজা বাড়লেও কমিশনের আনুষ্ঠানিক ব্যাখ্যার দিকে নজর রয়েছে সব পক্ষের।


