Aaj India Desk, কলকাতা : ভবানীপুরে রামনবমীর অনুষ্ঠান শুরুতেই নজর কেড়েছে বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর (Suvendu Adhikari) উপস্থিতি। তিনি গেরুয়া পতাকা হাতে শোভাযাত্রায় অংশ নেন, যা অনেকে দেখছেন ধর্মীয় উদযাপনের আড়ালে রাজনৈতিক ছায়া হিসেবে। রাজ্য জুড়ে রামনবমী পালন হবে আজ এবংআগামীকাল পর্যন্ত। ইতিমধ্যেই নবান্নে বিশেষ বৈঠক হয়েছে রামনবমীর প্রস্তুতি ও নিরাপত্তা সংক্রান্ত। খোলা হয়েছে কন্ট্রোল রুম, পুলিশ ও প্রশাসনের নজরদারি জোরদার।
তবে রাজনৈতিক বিশ্লেষণ রা প্রশ্ন তুলছেন, ধর্মীয় উৎসবের আড়ালে রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ প্রদর্শনী, উত্তেজনা সৃষ্টি এবং ভোটের কৌশল এগুলো কি জনসাধারণের নিরাপত্তার চেয়ে প্রাধান্য পাচ্ছে? এই শোভাযাত্রা আদতের ধর্মীয় শোভাযাত্রা নাকি রাজনৈতিক প্রচারের অংশ । নাগরিকদের মধ্যে আতঙ্ক এবং সমালোচনা বেড়েই চলেছে এই অপপ্রচারকে কেন্দ্র করে ।নিরাপত্তা ব্যবস্থার চাপে হলেও, উৎসবের রাজনৈতিক রঙ স্পষ্ট। প্রশ্ন থেকে যাচ্ছে কতটা ধর্মীয়, কতটা রাজনৈতিক?
সূত্রের খবর, আজ থেকে রবিবার পর্যন্ত রাজ্যের জেলা জেলায় রামনবমীর (Ram Naomi ) মিছিল হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। বিশেষ নজর কেড়েছে ভবানীপুরে শুভেন্দু অধিকারীর (Suvendu Adhikari) অংশগ্রহণ, যা অনেকে ধর্মীয় আড়ালে রাজনৈতিক প্রদর্শনী হিসেবে দেখছেন।
আজ সবচেয়ে বেশি মিছিল হতে পারে হাওড়া, চন্দননগর ও ইসলামপুরে, তাই ওই সব এলাকায় বিশেষ নজরদারি নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে। নবান্ন সূত্রে জানা গেছে, মোট ৩ হাজার পুলিশ মোতায়েন থাকবে। প্রয়োজনে CRPF-এর সাহায্য নেওয়া হবে।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা প্রশ্ন তুলছেন ধর্মীয় উৎসবের আড়ালে কি রাজনৈতিক উত্তেজনা ছড়ানোর চেষ্টা করা হচ্ছে? জনগণের নিরাপত্তা এবং শান্তিপূর্ণ উদযাপনের প্রশ্ন এই ঘটনার আলোচনার মূল কেন্দ্রে। বিশেষজ্ঞদের মতে, এমন সময়ে রাজনৈতিক নেতৃত্বের উপস্থিতি উৎসবের পবিত্রতাকে প্রভাবিত করতে পারে এবং উত্তেজনা বাড়াতে পারে। পাশাপাশি নাগরিকদের মধ্যে আতঙ্কের ছায়া, প্রশাসনের তৎপরতা এবং রাজনৈতিক উত্তাপ এই ত্রয়ী এখন রামনবমীর আড়ালে রাজ্যের প্রতিটি প্রান্তে নজরকাড়া পরিস্থিতি সৃষ্টি করেছে।


