সিঙ্গুর: দীর্ঘ প্রায় দুই দশক পর শিল্পের আশায় বুক বেঁধেছিলেন সিঙ্গুরবাসী। কিন্তু গত ১৮ জানুয়ারি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী সিঙ্গুরের (Singur) সভায় উপস্থিত হাজার হাজার মানুষকে ‘আশাহত’ করেই বিদায় নিয়েছিলেন। ভোটের মুখে মোদী বনাম মমতা লড়াইয়ের ময়দান কার্যত সিঙ্গুরের পরিত্যক্ত জমি। নরেন্দ্র মোদীর (Narendra Modi) সভার ঠিক দশ দিনের মাথায় সেখানে যাচ্ছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
বুধবার সিঙ্গুরের টাটা কারখানার মাঠ পরিদর্শন করে বারুইপাড়া পলতাগড় গ্রাম পঞ্চায়েতের ইন্দ্রখালি এলাকায় সভা করবেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। মোদীর ‘ফ্লপ-শো’ এর সুযোগকে কাজে লাগিয়ে কি সিঙ্গুরে শিল্প বার্তা দেবেন মমতা, সেদিকেই তাকিয়ে সিঙ্গুরবাসী।
মমতার সভা কি আশার আলো না রাজনৈতিক হিসেব?
বলা বাহুল্য, নরেন্দ্র মোদীর সভার আগে রাজ বিজেপির মুখে যেভাবে সিঙ্গুরে (Singur) ‘শিল্প ফেরানোর’ গান শোনা গিয়েছিল, তাতে ভরসা করেই ১৮ জানুয়ারি মোদীর (Narendra Modi)সভায় উপচে পড়েছিল সিঙ্গুরবাসীর ভিড়। কিন্তু প্রধানমন্ত্রীর মুখে “বাংলার অনেক ক্ষমতা” রয়েছে ছাড়া শিল্প সংক্রান্ত সন্তোষজনক কিছুই শোনা যায়নি।
এই পরিস্থিতিতে মমতার সিঙ্গুর-সভাকে বিজেপির বিরুদ্ধে পাল্টা পদক্ষেপ হিসেবেই দেখছে রাজনৈতিক মহল। যে সিঙ্গুর থেকে মমতার আন্দোলনের পর ১৮ বছর আগে বিদায় নিয়েছিল টাটা, বিজেপিকে চাপে ফেলতে সেই জমিতে কি শিল্প-ফেরানোর বার্তা দেবেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়? রাজনৈতিক মহল মনে করছে, এদিনের সভায় “বড় কিছু” ঘোষান করতে পারেন তিনি।
শিল্প না প্রকল্প? কি পেতে পারেন সিঙ্গুরবাসী?
সূত্রের খবর, এদিন ‘বাংলার বাড়ি প্রকল্পের বরাদ্দ’ নিয়েই সিঙ্গুরের (Singur) ময়দানে নামতে পারেন মমতা (Mamata Banerjee)। প্রথম পর্যায়ে বাংলার বাড়ি প্রকল্পে ১২ লক্ষ মানুষের হাতে বাড়ি তৈরির জন্য ১ লক্ষ ২০ হাজার টাকা আগেই দেওয়া হয়েছে। বুধবার ১৬ লক্ষ উপভোক্তার ব্যাংক অ্যাকাউন্টে প্রথম কিস্তির ৬০ হাজার টাকা পাঠানো হতে পারে।


