কলকাতা: কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) ব্যবহার করে খুঁজে খুঁজে তৃণমূল সমর্থকদের SIR শুনানিতে (SIR hearing) ডাকা হচ্ছে! রবিবার এসআইআর শুনানির চিঠি পেয়ে তোপ দাগলেন দেবাংশু ভট্টাচার্য। পাশাপাশি এবার চিঠি পেয়েছেন রাজ্যের নারী ও শিশুকল্যান মন্ত্রী শশী পাঁজাও (Shashi Panja)।
ভোটার তালিকায় বিশেষ নিবিড় সংশোধন প্রক্রিয়া ও কেন্দ্র সরকারের বিরুদ্ধে তোপ দেগে মন্ত্রী বলেন, “এটা পুরস্কারই আমার প্রাপ্য ছিল! লাইনে দাঁড়াব। আমি কোনও বিশেষ সুবিধা চাই না। কমিশনের অ্যাপ, ওয়েবসাইট ঠিক নেই। যার জন্য ভুগছেন সাধারণ মানুষ”।
তিনি আরও বলেন, “মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যে বলছেন, মহিলাদের হয়রান করা হচ্ছে, এটাই সত্যি। আমার স্বামী, দুই মেয়েকে ডাকা হয়নি। কিন্তু আমাকে ডাকা হল”। মন্ত্রীর অভিযোগ, ২০০২ সালের তালিকায় নাম থাকলেও অ্যাপে তাঁর নামটি। এটা কমিশনের গলদ বলে তোপ দাগেন শশী পাঁজা (Shashi Panja)।
AI ব্যবহার করে তৃণমূল সমর্থকদের টার্গেট?
শুনানির নোটিশ (SIR hearing) পেয়েছেন তৃণমূলের আইটি সেলের প্রধান দেবাংশু ভট্টাচার্য (Debangshu Bhattacharya)। নোটিশ পেতেই কমিশন সহ বিজেপিকে একহাত নিলেন তিনি। দেবাংশু বলেন, “কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা AI ব্যবহার করে তৃণমূল সমর্থকদের প্রোফাইল ট্র্যাক করা হচ্ছে। বিজেপি সেই লিস্ট নির্বাচন কমিশনের হাতে তুলে দিচ্ছে।”
এই সমগ্র প্রক্রিয়া তৃণমূল সমর্থকদের নাম বাদ দেওয়ার চক্রান্ত বলে তোপ দাগেন দেবাংশু ভট্টাচার্য (Debangshu Bhattacharya)। প্রসঙ্গত, দেবাংশুর পাশাপাশি তাঁর পরিবারের ৪ সদস্যকেও শুনানিতে ডাকা হয়েছে। তিনি জানান, “২০০২ সালের তালিকায় আমার বাবা, মা, কাকু, কাকিমার নাম ছিল। সেই কারণে ৫৮ লাখের তালিকায় আমাদের নাম আসেনি। অর্থাৎ প্রথমে আমরা পাশ করে গেছিলাম।”
“শুনানির নামে হয়রানি”র অভিযোগ
বস্তুত, ভোটার তালিকায় বিশেষ নিবিড় সংশোধন প্রক্রিয়া নিয়ে ভোটের আগে সরগরম রাজ্য রাজনীতি। আমজনতা থেকে শুরু করে তৃণমূল, সিপিএমের একাধিক নেতা-মন্ত্রী-বিধায়ক-সাংসদকে শুনানির নোটিশ পাঠানো হয়েছে। এসআইআর শুনানির নোটিশ পেয়েছেন অমর্ত্য সেন, একাধিক ক্রীড়াবিদ এবং সমাজের বিশিষ্টজনেরাও। এসআইআর শুনানির নামে “হয়রানি” করা হচ্ছে বলে তোপ দেগে আসছে তৃণমূল।


