কলকাতা: জল্পনায় সিলমোহর! শনিবার তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Abhishek Banerjee) হাত থেকে দলীয় পতাকা তুলে নিলেন সিপিএমের ‘প্রাক্তন’ ‘বিদ্রোহী’ নেতা প্রতীক-উর-রহমান (Pratik-Ur-Rahman)। লোকসভা নির্বাচনে এই অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধেই ডায়মন্ড হারবার লোকসভা কেন্দ্রে লড়েছিলেন প্রতীক-উর।
এদিন অভিষেকের (Abhishek Banerjee) সাথে সাক্ষাতের কিছুক্ষণের মধ্যেই তাঁকে দল থেকে বহিষ্কার করল সিপিএম। এদিন আমতলায় অভিষেকের বৈঠকে বিকেল চারটে নাগাদ পৌঁছন প্রতীক-উর। তিনি পৌঁছতেই এসএফআই দফতরে তাঁর নামে থাকা তিন নম্বর লকার থেকে নাম সরিয়ে দেওয়া হয়।
সম্প্রতি প্রতীক-উর (Pratik-Ur-Rahman) সিপিএমের রাজ্য ও জেলা কমিটি এবং প্রাথমিক সদস্যপদ থেকে অব্যাহতি চেয়ে চিঠি দেন। সংবাদমাধ্যমের সামনে তাঁর ‘বিস্ফোরক’ সাক্ষাৎকার ভোটের আগে সিপিএমকে কার্যত প্রাসঙ্গিক করে তোলে। এদিন দলে যোগ দেওয়ার পর অভিষেক জানান, প্রতীক-উর ভোটে লড়ার টিকিট চাননি, তিনি সংগঠনের কাজ করতে আগ্রহী।
শুক্রবার প্রতীক-উর (Pratik-Ur-Rahman) বলেন, সূর্যকান্ত মিশ্রের সময়ে সিপিএমে মত প্রকাশ ও প্রশ্ন করার সুযোগ ছিল, কিন্তু সেলিমের আমলে দলে কর্পোরেট সংস্কৃতি চালু হয়েছে। পাল্টা সেলিমের দাবি, মমতা-শুভেন্দু ল্যান্ডমাইন বসিয়েও সিপিএমকে শেষ করতে পারেননি, মিডিয়ায় বসে স্ক্রিপ্ট পড়ে দলকে শেষ করা যাবে না।
সিপিএমকে তুলোধোনা অভিষেকের
প্রতীক উরের যোগদানের পর সাংবাদিকদের সামনে সিপিএমকে কার্যত তুলোধোনা করলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেন, “সংবাদমাধ্যমের সঙ্গে বলা হল তৃণমূলের সঙ্গে নাকি প্রতীকের লেনদেন হয়েছে! কিসের লেনদেন? ঋতব্রত, কানহাইয়ার মত নেতারা সবাই ধান্দাবাজ?”
এরপর হুমায়ুন কবির, নওশাদের সঙ্গে জোটের জল্পনা নিয়েও সিপিএম-কে কটাক্ষ করেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেন, পেছন দরজা দিয়ে যারা বিজেপিকে বাংলায় আসন পাইয়ে দিয়েছে তাঁরা আবার আইডিওলজির কথা বলেন! রাতের অন্ধকারে পাঁচতারা হোটেলে হুমায়ুন কবিরের সঙ্গে মিটিং করতে হয়!


