Aaj lndia Desk, নদিয়া : মঙ্গলবার সকালে নদিয়া মুর্শিদাবাদ সীমান্তবর্তী ১২ নম্বর জাতীয় সড়কে এক ভয়াবহ দুর্ঘটনা ঘটেছে। একটি স্কুল ভ্যান ধাক্কা মারে ডাম্পারের সাথে, ফলে রক্তে ভেসে যায় অনেক শিশুর স্কুলের ইউনিফর্ম। আহতদের মধ্যে এক কন্যা ছাত্রীর অবস্থা আশঙ্কাজনক তাকে বর্তমানে ICU-তে রাখা হয়েছে। গাড়ির চালকও গুরুতর জখম হয়ে মুর্শিদাবাদ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন।
দুর্ঘটনার প্রতিবাদে স্থানীয়রা জাতীয় সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ দেখান, যা এলাকায় উত্তেজনার সৃষ্টি করে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে গিয়ে পুলিশ ও স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে ধস্তাধস্তি পর্যন্ত হয়। এখনও পুলিশের পক্ষ থেকে কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, দুর্ঘটনার আগে রাস্তার পাশে পুলিশের গাড়ি দাঁড় করানোর কারণে এক ডাম্পারও থামে। ঠিক সেই মুহূর্তে দাঁড়িয়ে থাকা ডাম্পারের পেছনে সজোরে ধাক্কা মারে স্কুলের ভ্যানটি।এলাকায় অবস্থিত একটি বেসরকারি ইংরেজি মাধ্যমিক স্কুলের বাস ।
পলাশি এলাকায় অবস্থিত ওই স্কুলে লোয়ার কেজি থেকে ষষ্ঠ শ্রেণি পর্যন্ত পড়ানো হয়। প্রতিদিনের মতো মুর্শিদাবাদ জেলার রেজিনগর থানার পড়ুয়ারা ম্যাজিক ভ্যানে চড়ে স্কুলে যাচ্ছিল। হঠাৎ, স্কুল ভ্যানের সামনে একটি ডাম্পার আচমকা থেমে যায়। ভ্যানের চালক নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ডাম্পারের সঙ্গে ধাক্কা মারে।
দুর্ঘটনায় চালকসহ ১৫ জন গুরুতর আহত হন। আহতদের উদ্ধার করে প্রথমে পলাশি প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে নিয়ে যাওয়া হয়, যেখানে প্রাথমিক চিকিৎসার পর তিন জন পড়ুয়াকে ছেড়ে দেওয়া হয়। বাকিদের দ্রুত বহরমপুরের মুর্শিদাবাদ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়।


